
সন্দেশখালি
শেষ আপডেট: 16 May 2024 13:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাতের অন্ধকারে সন্দেশখালির এক প্রতিবাদী মহিলাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিচ্ছে এবং অপহরণের চেষ্টা করেছে এই অভিযোগ নিয়ে বিজেপি নেত্রী ও আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
বিজেপির আইনজীবীর আবেদনের উত্তরে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনকারীকে বিষয়টি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে জানাতে বলে। যেহেতু সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে সিবিআই ইতিমধ্যেই তদন্ত করছে। এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি আইনজীবী টিব্রেয়ালকে বলেন, “ম্যাডাম, আমরা তদন্তকারী সংস্থা নয়। বিষয়টি (সন্দেশখালি কাণ্ড) সিবিআই তদন্ত করছে। ফলে আপনি দয়া করে ওখানে গিয়েই আপনার অভিযোগের বিষয়টি জানান।"
টিব্রেওয়াল তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন, “মহিলারা রাতে বাড়িতে ঘুমোতে পারছেন না। মাঠেঘাটে লুকিয়ে থাকছেন। প্রত্যেকেই চূড়ান্ত সন্ত্রস্ত। রাতে মহিলাদের বাড়িতে হানা দিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে পুলিশ। গতকাল (বুধবার) রাতে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন এমন একজনকে দু’হাত বেঁধে পুকুরের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে।"
বিজেপি নেত্রীর অভিযোগের জবাবে সরকারি আইনজীবী বলেন, "সংশ্লিষ্ট এলাকায় অস্থিরতা তৈরি করছেন স্বয়ং বিজেপির আইনজীবী। যখনই তিনি সন্দেশখালি যান তখনই এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।"
সন্দেশখালিতে জোর করে জমি দখল, ও ধর্ষণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বাহুবলী নেতা শেখ শাহজাহান ও তার অনুগামীরা গ্রেফতার হয়ে হাজতবাস করছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওয় (যার সত্যতা দ্য ওয়াল যাচাই করেনি) দেখা যায়, সন্দেশখালির বিজেপির মণ্ডল সভাপতি একটি স্টিং অপারেশনে স্বীকার করেন সন্দেশখালির সমস্ত ঘটনাই বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাজানো এবং পরিকল্পিত। বিজেপির তরফে অবশ্য জানানো হয় সমস্ত ভিডিওই ভুয়ো, সন্দেশখালির ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার তৃণমূলী চক্রান্ত।