
জাতীয় নির্বাচন কমিশন ও সুপ্রিম কোর্ট।
শেষ আপডেট: 10 May 2024 16:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম দু'দফা ভোটের হার নিয়ে গরমিলের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সরব হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এব্যাপারে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছিল বিরোধীরা।
শুক্রবার ওই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে ভোটের হার প্রকাশের ক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দিল।
এদিন আদালত জানিয়েছে, আগামী চারদফা ভোটের ক্ষেত্রে নির্বাচন শেষের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রদত্ত চূড়ান্ত ভোটের হার জানাতে হবে কমিশনকে।
দেশে প্রথম দফা ভোট হয়েছে ১৯ এপ্রিল। শীর্ষ আদালতে দায়ের হওয়া অভিযোগে জানানো হয়েছে, প্রথম দফা ভোটের ১১ দিন পর কমিশন ভোটের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান সামনে এনেছে। একইভাবে দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪ দিন পর পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে।
সাধারণত ভোটের দিন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোথায় কত ভোট পড়ল তা নির্বাচনের দিনই প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। পরে চূড়ান্ত ভোটের হার জানানো হয়। এক্ষেত্রে প্রথম দুটি দফার ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৭ শতাংশ ভোট বৃদ্ধির ঘটনায়া কারচুপির অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা।
তৃণমূল নেত্রী-সহ বিরোধী দলের নেতাদের অভিযোগ, বিকেল পাঁচটার পর ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যাঁরা ভোটের লাইনে থাকেন , সেই সংখ্যাটাই পরে চূড়ান্ত তালিকার সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু কোনওভাবেই ওই ভোটের হার শতকরা ৫ থেকে ৭ শতাংশ হওয়া সম্ভব নয়।
বিরোধীদের আরও অভিযোগ, যেখানে বিজেপির কম ভোট পোল হয়েছিল, হঠাৎ করে কমিশন নোটিস জারি করে সেখানে ভোট বাড়িয়ে দিয়েছে।
এরপরই কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটের হারে কারচুপির অভিযোগে শীর্ষ আদালতে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। শুনানিতে কমিশনের তরফে আদালতের কাছে জানানো হয়, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কিছু অফিসিয়াল কাজকর্ম থাকে। সেগুলি শেষ করতে ভোটের পর আরও একটি দিন চলে যায়। এরপরই আদালত জানায়, ভোট শেষের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত ভোটের হার প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে।