বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী নিঃসন্তান। পশুপ্রেমী। তার আরও গরু ছাগল আছে। তার মধ্যে রামদাস ছিল বেশি আদরের।

শেষ আপডেট: 16 July 2025 15:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: রামদাস আর নেই। বয়স হয়েছিল ১৮ বছর। রামদাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া ভাতারের এরুয়ার গ্রামে। গত ১৮ বছর ধরে রামদাসকে চিনতেন এরুয়ারের মানুষ ৷ এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ানো রামদাস কখনও কখনও অন্যের জমিতে ঢুকে পড়ত। তবুও কেউ তাকে কিচ্ছু বলত না। বিধায়কের আদরের ছাগল যে রামদাস!
ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। পোড়খাওয়া রাজনৈতিক নেতা। স্বভাবে ডাকাবুকো এবং কথাবার্তায় প্রচণ্ড খোলামেলা। বিধায়কের দুর্বলতার জায়গা ওই ছাগল। জেলা পরিষদের শিক্ষা ও তথ্য সংস্কৃতি কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, "মেসোমশাইয়ের খুব আদরের ছিল রামদাস। উনি মানুষের পাশাপাশি পশুপাখিদের ভালবাসেন। সংবেদনশীল মানুষ। বিধায়ক হওয়ার অনেক আগে থেকেই খুব যত্নে বড় করেছেন রামদাসকে। বয়সজনিত কারণে সে অসুস্থ ছিল। একটি পা ভেঙে গিয়েছিল। ইউরিন ইনফেকশন হয়েছিল। বুধবার সকালে গিয়ে দেখা যায় সে আর বেঁচে নেই। বিধায়ক খুব দুঃখ পেয়েছেন।"
বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী নিঃসন্তান। পশুপ্রেমী। তার আরও গরু ছাগল আছে। তার মধ্যে রামদাস ছিল বেশি আদরের। তাই তার মৃত্যুতে আঘাত পেয়েছেন মানগোবিন্দ। গ্রামের মানুষজন জানান, রামদাস কখনও কারও জমিতে ঢুকে পড়লেও কেউ কিছু বলত না। সবাই তাকে চিনত। ধরে বেঁধে বাড়ি পৌঁছে দিত। স্বভাবে নরম রামদাস সবার প্রিয় ছিল।
বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, "আমার বাড়িতে ৬ টি গরু ও একটি ছাগল ছিল। সেই পোষ্য ছাগলটিই মারা গেল।১৮ বছর আমার কাছে ছিল। দুটি ছাগল ছিল আমার। একটি অনেক আগেই মারা যায়।"