
শেষ আপডেট: 2 January 2024 14:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে রাজ্যে প্রাথমিক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। কিন্তু বছর ঘুরলেও উত্তীর্ণরা নিয়োগ পাননি। তাই ২০২৪ সালের শুরুতেই নিয়োগের দাবিতে পথে নামলেন বাইশ সালের টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। অবিলম্বে তাঁদের চাকরি দিতে হবে, আলোচনায় বসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, সেই দাবিতে মঙ্গলবার চাকরিপ্রার্থীরা শিয়ালদহ থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করেন টেট উত্তীর্ণরা।
প্রাথমিকে নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই পথে টেট উত্তীর্ণরা। ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণদের পাশাপাশি এবার চাকরির দাবিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ালেন ২২ সালের চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, টেট পাশ করার পরেও এখনও পর্যন্ত ইন্টারভিউ-র জন্য ডাক পাননি তাঁরা। কেন চাকরি পাচ্ছেন না, তার জবাব দাবি করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
এদিন সকালে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে জমায়েত হন ২০২২ সালের টেট পাশ করা চাকরিপ্রার্থীরা। তারপর সেই মিছিল শিয়ালদহ থেকে আসে ধর্মতলায়। ডোরিনা ক্রসিংয়ের সামনে রাস্তায় বসে, শুয়ে ন্যায্য চাকরির দাবি জানান চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে রাজ্যের ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ করতে হবে।
চাকরিপ্রার্থীদের হাতে পোস্টার, সেখানে জ্বলজ্বল করছে তাঁদের দাবি। মুখে সকলের কালি মাখা। থালা বাজিয়ে চাকরির দাবি জানাচ্ছেন টেট উত্তীর্ণরা। তাঁদের গলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালের ছবি। কেউ কেউ আবার রাস্তার মধ্যেই 'প্রতীকী' ফুটবলও খেলেন।
চাকরিপ্রার্থীদের কথায়, 'আমাদের একটাই দাবি দ্রুত ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকতে হবে। ২০১৭ সালের পর ২০২২ সালে টেট হল। ৫-৬ বছর পর রাজ্যে প্রাথমিকের টেট হয়েছে। এক বছর হতে চলল আমাদের রেজাল্ট বেরিয়েছে। এখন একটা ইন্টারভিউয়ের নোটিফিকেশনের জন্যও আমাদের পথে বসতে হচ্ছে।' তার মধ্যেই ফের ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে টেট হয়। অথচ ২০২২ সালের টেটে নিয়োগ হল না কেন, প্রশ্ন তুললেন চাকরিপ্রার্থীরা।
এর আগেও অনেকবার পথে নেমে বিক্ষোভ-আন্দোলন করেছেন এই চাকরিপ্রার্থীরা। কখনও বিকাশ ভবনের সামনে, কখনও আবার ধর্মতলায় নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। তবে এ ব্যাপারে পর্ষদের যুক্তি, আইনি জটে নিয়োগ আটকে আছে। শিক্ষামন্ত্রী আগেও বলেছেন, সরকার চাইছে নিয়োগ হোক। হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।