গত দু’ বছরে রেলের হিসেব বলছে, সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ যাত্রী এই তিথিতে রেলপথে এসেছিলেন। ফলে মোটা অঙ্কের আয়ও হয়েছে রেলের।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 18 August 2025 19:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তারাপীঠের বার্ষিক সবচেয়ে বড় উৎসব কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) ঘিরে প্রশাসন থেকে শুরু করে মন্দির কমিটি (Tarapith Temple Committee) সবারই জোর প্রস্তুতি চলছে।
আগামী শুক্রবার সকাল ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে তিথি চলবে শনিবার সকাল ১১টা ২২ মিনিট পর্যন্ত। তার পরের দিন রবিবার সরকারি ছুটি থাকায় এবার রেকর্ডসংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রশাসনের।
প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষ ভিড় জমাবেন মা তারার দরবারে। এর মধ্যে সিংহভাগই ট্রেনে আসেন। গত দু’ বছরে রেলের হিসেব বলছে, সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ যাত্রী এই তিথিতে রেলপথে এসেছিলেন। ফলে মোটা অঙ্কের আয়ও হয়েছে রেলের।
এমন পরিস্থিতিতে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, শুধু হাওড়া–রামপুরহাট নয়, এবার শিয়ালদহ, দেওঘর ও উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকেও স্পেশাল ট্রেন (Special Train) চালানো হোক। ইতিমধ্যেই এই দাবি রেল কর্তাদের জানানো হয়েছে। এমনকি সাংসদ শতাব্দী রায়ও হাওড়ার ডিআরএমকে চিঠি দিয়ে একাধিক স্পেশাল ট্রেন চালানোর আবেদন করেছেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, “হাওড়া থেকে একটি মাত্র স্পেশাল যথেষ্ট নয়। পর্যটকদের প্রায় ৪০ শতাংশ আসেন ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকে, ২০ শতাংশ আসেন উত্তরবঙ্গ–অসম থেকে। এত ভিড় সামলাতে একাধিক দিক থেকে ট্রেন চালানো ছাড়া উপায় নেই।”
স্থানীয় লজ ও হোটেল মালিকদের সংগঠনও একই সুরে দাবি তুলেছে। তাঁদের বক্তব্য, হোটেল বুকিং অনেক দিন আগে থেকেই প্রায় ভরতি, এবার যাত্রী সমাগম আরও কয়েকগুণ বাড়বে।
পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ডিআরএম। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত রেল কী সিদ্ধান্ত নেয়।