.webp)
শুভেন্দু অধিকারী।
শেষ আপডেট: 22 May 2024 19:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার সন্ধেয় কোলাঘাটে শুভেন্দুর ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল রাজ্য পুলিশ। ওই ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার-সহ ছ'জন অফিসারকে সরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
কমিশনকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দু ৬জন পুলিশ কর্তার নামোল্লেখ করেছেন। এরা হলেন- পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিখিল আগরওয়াল, তমলুকের সার্কেল ইন্সপেক্টর চম্পকরঞ্জন চৌধুরী, সিএমজি সেলের ওসি সৌরভ মিত্র, কোলাঘাট থানার ওসি সৌরভ চিন্না এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর কৌশিক ঢাল।
শুভেন্দুর অভিযোগ, "এই ৬ জন পুলিশ অফিসার নিরপেক্ষ নন, তৃণমূলের হয়ে কাজ করেন। তাই ভোটের আগে এদের দায়িত্ব থেকে সরাতে হবে। তা না হলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।"
কমিশনকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দুর অভিযোগ, তাঁর কোলাঘাটের বাড়িতে যাঁরা তল্লাশিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে দু’জন সিভিক ভলান্টিয়াস ছিল। এমনকী কোনও সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশ অভিযান চালায়। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে পুলিশ অভব্য আচরণ করে বলেও অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। ভিডিওগ্রাফি ছাড়াই কীভাবে পুলিশি অভিযান সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিরোধী দলনেতা।
বুধবার কাঁথির নির্বাচনী সভা থেকে এ ব্যাপারে রাজ্য পুলিশের তীব্র সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তাঁর কথায়, "শুভেন্দুর বাড়িতে মমতাদিদির পুলিশ রেড করেছিল, ২৫ পয়সাও পায়নি। এভাবে তৃণমূল যত সন্ত্রাস করবে ততই বিজেপির ভোট বাড়বে।"
যদিও পাল্টা হিসেবে নন্দীগ্রামের সভা থেকে শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "একটা জায়গায় পুলিশ সার্চ করতে গেছে, তাতেই কেঁপে কেঁপে উঠছে। মহুয়া মৈত্রর বাড়িতে ইডি, সিবিআই যখন গিয়েছিল ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছিল? তুমি করলে রামলীলা, আমরা করলে ক্যারেক্টার ঢিলা। আমার হেলিকপ্টারেও তো ইডি, সিবিআই তল্লাশি করেছে। এই নিয়ে আমি ক'বার বলেছি। এত ভয় পাওয়ার কী আছে।"