Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, কীভাবে নিষ্পত্তি হবে রইল এক নজরে

ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ও ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, কীভাবে নিষ্পত্তি হবে রইল এক নজরে

ছবি: দ্য ওয়াল

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 21 January 2026 21:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, 2026) ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে চলতি ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ (logical discrepancy) ও ‘আনম্যাপড’ (unmapped) ভোটারদের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই দুই শ্রেণির ভোটারদের নাম প্রকাশ্যে টাঙানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন (ECI)।

নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (CEO) পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস, তালুক ও শহরের ওয়ার্ড অফিস-সহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জনসমক্ষে এই তালিকা টাঙাতে হবে। এর উদ্দেশ্য—যাতে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা সহজেই জানতে পারেন তাঁদের নাম কোনও সমস্যার তালিকায় রয়েছে কি না।


চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, যাঁদের নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বা ‘আনম্যাপড’ হিসেবে চিহ্নিত, তাঁরা নিজেরা অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি ও আপত্তি জমা দিতে পারবেন। ওই প্রতিনিধি চাইলে বুথ লেভেল এজেন্টও (BLA) হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভোটারের সই বা টিপসই-সহ অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র এলাকার কাছাকাছি কোনও পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস বা ওয়ার্ড অফিস নির্দিষ্ট করে দিতে হবে, যেখানে নথি জমা ও শুনানি হবে। তালিকা প্রকাশের পর অতিরিক্ত ১০ দিন সময় দেওয়া হবে নথি জমা দেওয়ার জন্য।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—শুধু নথি জমা নয়, প্রতিটি ক্ষেত্রে ERO বা AERO-এর মাধ্যমে শুনানি বাধ্যতামূলক। সেই শুনানি সরাসরি অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হতে পারে। নথি গ্রহণ ও শুনানির সার্টিফিকেট দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে, যা পরে বিএলও (BLO) অ্যাপে আপলোড করা হবে।

নথি হিসেবে মাধ্যমিকের (দশম শ্রেণি) অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য, যদি তাতে জন্মতারিখ উল্লেখ থাকে—এ কথাও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে কমিশনের চিঠিতে।

সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজরদারির মধ্যেই এবার রাজ্যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ইস্যু কোন পথে এগোয়, সেটাই এখন দেখার।


```