
শেষ আপডেট: 9 October 2023 23:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুধু তৃণমূল নয়, দেশে তামাম বিরোধীদের অভিযোগ, ইডি-সিবিআই দিল্লিতে রাজনৈতিক প্রভুর কথা শুনে চলে। এই দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর বিজেপির যে প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে তা সোমবার বেফাঁস বলে ফেললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
এদিন সকালে রানাঘাট পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বর্তমানে বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যায় সিবিআই গোয়েন্দাদের টিম। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সূত্রে পার্থসারথির বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। সেই প্রসঙ্গেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বাংলা বিজেপির সভাপতি বলেছেন, “যাকে প্রয়োজন তাকে ডাকবে (পড়ুন সিবিআই), প্রয়োজন না হলে কেন শুভেন্দুকে ডাকবে? তল্লাশি বন্ধ করতে আমরাও ফোন করতে পারতাম, কিন্তু আমরা এতে বিশ্বাসী নই।”
সুকান্তর এই দাবি শুনে হইহই পড়ে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “এটাই তো আমরা বারবার বলছি। ওরাই ফোন করে সিবিআই পাঠায়, ওরাই দরকার হলে ওয়াশিং মেশিনে ধুয়ে ঘরে তোলে। ওদের হাতেই লাটাই।”
সুকান্ত কদিন আগে একশ দিনের কাজের টাকা নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নাকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেছিলেন, “ওনাকে কিছু করতে হবে না। সুকান্ত মজুমদার একটা ফোন করবে, সব টাকা চলে আসবে।”
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এখন সক্রিয় সিবিআই এবং ইডি। শনিবার থেকে শুরু করে তিন দিনে ৩৫ জায়গায় তারা তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বর্তমান ও প্রাক্তন কিছু চেয়ারম্যান। পার্থসারথি তৃণমূলে থাকাকালীন রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। এদিন তাঁর বাড়িতে সিবিআই টিম পৌঁছতেই সুজন চক্রবর্তীর মতো বাম নেতারাও বলেন যে, কেন্দ্রীয় এজেন্সি কতটা নিরপেক্ষ তা বোঝাতেই এই মেকি তল্লাশি। সুজনের কথা হাওয়া মেলাতে পারেনি, তার আগেই সুকান্ত মহার্ঘ দাবি করে বসেছেন। যা লুফে নিতে দেরি করেনি তৃণমূল।