আগামী ১৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিঙ্গুরে সভা করবেন। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত মজুমদার।

শেষ আপডেট: 14 January 2026 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে টাটারা ফিরবেই। প্রধানমন্ত্রীর সভার আমন্ত্রণ পত্র বিলি করে সিঙ্গুরে বললেন সুকান্ত মজুমদার। বললেন, "মোদি ক্ষণজন্মা, তার কথা শুনুন।"
আগামী ১৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিঙ্গুরে সভা করবেন। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত। সেখান থেকে সাহানাপাড়া গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ায় আমন্ত্রণপত্র বিলি করেন। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিদায় নেওয়ার পর এই প্রথম সেখানে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সিংহরভেরি মৌজায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জমিতে হবে সভা।
সিঙ্গুরের মাটিতে টাটার শিল্প না হওয়ায় জন্য শাসকদল তৃণমূলকে দায়ী করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। বলেন, "বিজেপি সরকার আসুক এখানে টাটা ফিরবে। আমরা জানি কীভাবে করতে হয়। আমরা উত্তরপ্রদেশে ডিফেন্স করিডোর করছি। ভারতবর্ষের দুটো বড় করিডোর একটা উত্তরপ্রদেশের একটা তামিলনাড়ুতে হয়েছে।"
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সিঙ্গুরে কৃষকরা জমি ফেরত পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তাতে না হয়েছে শিল্প না হয়েছে চাষ? সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে নরুনও যাবে। তিনি শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবেন বাকি কারও জন্য ভাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আসার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব তিনি ক্ষণজন্মা। কম মানুষ এমন জন্মায়। গোটা ভারতকে তিনি যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা শ্রদ্ধা জাগায়। তাঁর বক্তব্য শুনতে সবাইকে আসা উচিত। এমন কী তৃণমূলের লোকেদেরও আসা উচিত। তবে তাদের সৎ বুদ্ধি হবে।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে শিল্প নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান না শিল্প হোক। তিনি চান মানুষ গরিব থাকুক, ঘুগনি বিক্রি করুন। তিনি ভাতা দেবেন আর সেই ভাতার টাকায় ছোলা কিনবেন বউকে বলবেন ঘুগনি বানাতে, আপনি ঘুগনি বিক্রি করবেন আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোরা কোটিপতি হবে। ওনার পরিবার ভালো থাকবে। এই কলঙ্ক সিঙ্গুরের মাথা থেকে ঘোচানোর কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে। টাটা- সহ অন্যান্য শিল্পপতিদের এখানে নিয়ে এসে শিল্প করে দেখাব আমরা।"
গোপালনগর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অমিয় ধারা বলেন, "যে জায়গায় মানুষ আন্দোলন করেছিল গোপালনগর, ঘোষপাড়া বেড়াবেড়ি সেই জায়গায় তিনি যাননি। গোপালনগরের একটি অন্য সাইডে গেছেন যেখানকার লোক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তারা সিপিএম করতেন। কিছু জমি দিয়েছিলেন, তারাই এখন জামা পাল্টে বিজেপি হয়েছে। তাঁদের কাছে এসে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেল।"