
শেষ আপডেট: 14 February 2024 13:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার সকাল থেকেই সন্দেশখালির প্রবেশপথের একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে পুলিশ। প্রবেশ পথগুলিতে রয়েছে পুলিশি ব্যারিকেডও। এমন আবহে সন্দেশখালির পরিবর্তে টাকির ইছামতি নদীর তীরে সরস্বতী বন্দনায় বসে পড়লেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
টাকির যে হোটেলে সুকান্ত ছিলেন, তার সামনে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, বুধবার বেলায় হোটেলের সামনের গেটের পরিবর্তে পিছনের গেট দিয়ে হাতে সরস্বতী ঠাকুর নিয়ে তিনি পৌঁছে যান টাকির ইছামতি নদীর তীরে। সেখানে আগে থেকেই মোতায়েন ছিল পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসার পর সেখানেই সরস্বতী পুজোয় বসে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
সন্দেশখালিতে তৃণমূলের অত্যাচারের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বসিরহাটের এসপি অফিস অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। নেতৃত্বে ছিলেন সুকান্ত। দিনভর পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে এলাকা রণক্ষেত্রর চেহারা নেয়। রাতে টাকির একটি হোটেলে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
সুকান্ত জানিয়েছিলেন, হোটেলে সরস্বতী পুজো সেরে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই সন্দেশখালির ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। যদিও এলাকার আইনশৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে সন্দেশখালির প্রবেশ পথের ১৯টি জায়গায় বুধবার সকাল থেকে নতুন করে ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ।
এরপরই সুকান্ত নিজের কর্মসূচি বদলে জানিয়ে দেন, টাকির হোটেলে নয়, সরস্বতী পুজো করবেন সন্দেশখালিতে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এও জানান, পথে পুলিশের বাধা যেখানে পাবেন সেখানেই বাগদেবীর পুজোয় বসবেন তিনি।
পুলিশের চোখে ধুলো দিতে এদিন হোটেলের সামনে একটি সরস্বতী নিয়ে বাইরে বেরানোর চেষ্টা করেন কর্মীরা। পুলিশ বাধা দেয়। সূত্রের খবর, পুলিশের নজর ঘোরাতেই এই কৌশল নেওয়া হয়। ততক্ষণে হোটেলের পিছনের গেট দিয়ে টাকির ইছামতি নদীর তীরে পৌঁছে যান সুকান্ত। পুলিশের বাধার মুখে পড়ে সেখানেই শুরু করেন বাগদেবীর বন্দনা।
সেখান থেকে সন্দেশখালি যাওয়ার ঘোষণা করেছেন সুকান্ত। অন্যদিকে গতিরোধ করতে তৈরি রয়েছে পুলিশও। ফলে এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা।