বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, ৩০০টি ওষুধের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট ওষুধগুলি কেনার আগে বাধ্যতামূলকভাবে কিউ আর কোড স্ক্যান করতে হবে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 24 May 2025 15:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কীভাবে রাজ্যে জাল ওষুধ (Fake Medicines) ঢুকছে তা বন্ধে আগেই তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য। এবার হোলসেলার ও বিক্রেতাদের জন্য জারি করা হল বিজ্ঞপ্তি।
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের (State Health Department) তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৩৭ রকমের ওষুধকে বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আই ড্রপ থেকে কোমো থেরাপি, ডায়াবেটিক ইঞ্জেকশন থেকে পেটের আলসার সারানোর ওষুধ সবই রয়েছে। কোন কোন ওষুধকে বাতিল করা হল, তার তালিকাও প্রকাশ করেছে রাজ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বিক্রেতাদের উদ্দেশে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, তাঁরা যে সংস্থার কাছ থেকে ওষুধ কিনছেন তাঁদের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কিনা দেখতে হবেএবং সেই লাইসেন্সের মেয়াদ কতদিনের তাও খতিয়ে দেখতে হবে। রাজ্যের বাইরের কোনও সংস্থার থেকে ওষুধ কিনলে অবশ্যই সেইসব সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস চেক করার নির্দেশও রয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। একই সঙ্গে থাকতে হবে জিএসটি নম্বরও।
বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, ৩০০টি ওষুধের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট ওষুধগুলি কেনার আগে বাধ্যতামূলকভাবে কিউ আর কোড স্ক্যান করতে হবে।

স্বাস্থ্য দফতরের মতে, নয়া বিধি নিষেধের ফলে রাজ্যের ওষুধের বাজারে জাল ওষুধ বিক্রি ও ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হবে।
ঘটনার সূত্রপাত, গত ডিসেম্বরে ৯৩টি ওষুধকে 'নট ফর স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি ড্রাগস' বলে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ড (Central Drugs Standard Control Organisation)। জানুয়ারিতে আরও ৫১টি ওষুধের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। মার্চে আরও ১৩৪টি ওষুধের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠল। নামী ব্র্যান্ডের একাধিক ওষুধের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে একাধিক ইঞ্জেকশনও।

কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের পরীক্ষায় শতাধিক এই ওষুধগুলি গুণমানের পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল তৈরি হয় জনমানসে। এবার এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।