
শেষ আপডেট: 16 November 2022 13:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গুজরাত বিধানসভার ভোটে স্টার প্রচারকের তালিকা প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। চল্লিশ জন নেতার নামের ওই তালিকাটি নিয়ে কংগ্রেস মহলে জল্পনা (Speculation) শুরু হয়েছে একটি নাম না থাকায়।
তিরুবনন্তপূরমের সাংসদ শশী তারুরের (Sashi Tharoor) নাম নেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো ওই তালিকায়। শশীর নাম না থাকতেই ওই তালিকা নিয়ে কংগ্রেস (Congress) মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সমাজ মাধ্যমেও নিন্দামন্দ হচ্ছে।
লোকসভা ও বিধানসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলগুলির ৪০ জন প্রচারককে নির্বাচন কমিশন স্টার ক্যাম্পেইনার হিসাবে ঘোষণা করে। কোন চল্লিশজনকে এই তালিকায় রাখা হবে তা ঠিক করে সংশ্লিষ্ট পার্টি। এই প্রচারকদের প্রচারের খরচ দল বহন করে। তাঁরা যে প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করবেন, প্রচার বাবদ খরচ সেই প্রার্থীদের ভোটের খরচের অংশ হিসাবে তা ধরা হবে।
এআইসিসির সদর দফতর থেকে কমিশনকে পাঠানো তালিকায় শশী তারুরের নাম নেই।
এর আগে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে নতুন ওয়ার্কিং কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালাতে যে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেছেন তাতেও রাখা হয়নি শশীকে।
কংগ্রেসের অন্দরে অনেকেই বলছেন, সভাপতি পদে খাড়্গের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাতেই কি শশীকে দলে কোণঠাসা করা শুরু হয়েছে?
গুজরাতে শশীর মতো নেতাকে প্রচারে পাঠানো জরুরি ছিল বলে অনেকেই মনে করছেন। ওই রাজ্যে শহরাঞ্চলে বিজেপি বেশ শক্তিশালী। শশীর মতো সুবক্তাকে গান্ধীনগর, আমদাবাদ, বদোদরা, সুরাতের শহর ও শিল্পাঞ্চলে প্রচারে পাঠালে বিজেপি ও আপকে চাপে ফেলা যেত।
বিভিন্ন মহলের প্রচারের মুখে কংগ্রেস ব্যাখ্যা দিয়েছে, শশীর নাম কখনই দলের স্টার ক্যাম্পেইনারের তালিকায় ছিল না। ফলে তাঁকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। তবে, কেন গুজরাতের তালিকায় এবার তাঁর নাম রাখা হয়নি তার কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি কংগ্রেস। যদিও চল্লিশ জনের তালিকায় এমন অনেক নেতার নাম আছে যাঁদের তুলনায় তিরুবনন্তপূরমের সাংসদের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা কয়েক গুণ বেশি।
বেআইনি নিয়োগ হওয়া সবাইকে জেরা করতে হবে, সহযোগিতা না করলে গ্রেফতার: হাইকোর্ট