
শেষ আপডেট: 17 June 2020 18:30
মঙ্গল শুধু নয় আমাদের পৃথিবীকে ঘিরেও নাকি এমন সবুজের মেঘ দেখা গেছে, যার গাঢ়ত্ব আবার মঙ্গলের থেকে অনেক কম। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (আইএসএস) থেকে হালকা সবুজ মেঘ দেখেছেন নভশ্চররা। বেলজিয়ামের ইউনিভার্সিটি দে লেগের বিজ্ঞানী জিন-ক্লডে জেরার্ড বলেছেন, এক্ষেত্রেও পৃথিবীকে ঘিরে আলোর এমন এক তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অক্সিজেন রয়েছে যে তার উপর সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে এমন রঙ ধরেছে।
মঙ্গলের এই সবুজ বলয় নিয়ে চর্চা নাসাতেও। এ বছরই জুলাইতে বহু প্রতীক্ষিত ঐতিহাসিক মঙ্গল-অভিযানে নাসা যাচ্ছে। ‘মিস কিউরিওসিটি’-র পরে এবারের মঙ্গলযাত্রায় নাসা পাঠাচ্ছে তার রোভার ‘পারসিভিয়ারেন্স’কে। জেট প্রপালসন ল্যাবরেটিতে (জেপিএল) যত্ন করে বানানো হয়েছে এই রোভার। পারসিভিয়ারেন্স রোভারও মঙ্গলের মাটি থেকে নুড়ি, পাথর, অজানা-অচেনা রহস্যময় জিনিসপত্র খুঁজে খুঁজে কোঁচড়ে ভরে নিয়ে আসবে। তেমনভাবেই তাকে সাজানো গোছানো হচ্ছে। এবারের মিশনে পারসিভিয়ারেন্স রোভারের কাজ হবে মঙ্গলের মাটিতে প্রাণের চিহ্ন খুঁজে বার করা। মঙ্গলের আবহাওয়া, সেখানে মাটির প্রকৃতি পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করা। ইসরোর মঙ্গলযান ‘মম’ দেখিয়েছিল, মঙ্গলে দিন-রাত আছে, ঋতু পরিবর্তন আছে, আছে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু, খুব উঁচু পাহাড় আছে, বিরাট আগ্নেয়গিরি আছে, বিশাল নদীখাতও আছে, যা একদা সেখানে জল থাকার প্রমাণ দেয়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার দেখাবে মঙ্গলের মাটির গঠন, চরিত্র, আবহাওয়ার প্রকৃতি, বাতাসে মিথেন গ্যাসের অস্তিত্ব, বায়ুমণ্ডলে অ-তরিদাহত কণার পরিমাণ।