৬ মাস পর রবিবার রাতে ফের মর্মান্তিক ঘটনা। চিত্তরঞ্জনের উত্তর এলাকার ৬৪ নম্বর স্ট্রিটের ২৫বি নম্বর আবাসন থেকে উদ্ধার হল প্রদীপ চৌধুরীর গুলিবিদ্ধ দেহ (Chittaranjan Death)।
.jpeg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 6 October 2025 16:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে চিত্তরঞ্জন রেল কলোনির ২৮ নম্বর স্ট্রিটের ৪৬/২ ডি নম্বর আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রদীপ চৌধুরীর স্ত্রী সঞ্চিতা চৌধুরীর গলাকাটা দেহ (Chittaranjan Murder)। ঘটনার সময় প্রদীপ ছিলেন ডিউটিতে। সেই সূত্রে তাঁকে একাধিকবার থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ। ৬ মাস পর রবিবার রাতে ফের মর্মান্তিক ঘটনা। চিত্তরঞ্জনের উত্তর এলাকার ৬৪ নম্বর স্ট্রিটের ২৫বি নম্বর আবাসন থেকে উদ্ধার হল প্রদীপ চৌধুরীর গুলিবিদ্ধ দেহ (Chittaranjan Death)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রী ও পুত্রকে নিয়ে প্রদীপ আগে এরিয়া ফাইভের একটি রেল আবাসনে (Rail Quarter) থাকতেন। সেখানেই গত ৩ এপ্রিল স্ত্রী খুনের ঘটনাটি ঘটে। এরপর থেকেই তিনি সেই ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যান নতুন ঠিকানা চিত্তরঞ্জন রেল শহরের উত্তর এলাকায়। স্ত্রী নিহত হওয়ার পর থেকে প্রদীপ ও তাঁর ছেলে দেবদত্ত ওই নতুন আবাসনেই থাকতেন।
রবিবার দুপুরে দেবদত্ত বাড়ির বাইরে ছিলেন। রাত আটটা নাগাদ ফিরে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। বহুক্ষণ ধাক্কাধাক্কি ও ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খবর দেন পুলিশে। চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে দেখে, বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন প্রদীপ চৌধুরী। মাথার একপাশে গুলির আঘাত। পাশে পড়েছিল একটি আগ্নেয়াস্ত্রও।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, প্রদীপ সম্ভবত আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে ঘটনার সম্পূর্ণ রহস্য এখনও স্পষ্ট নয়। চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার শ্রমিক নেতা ইন্দ্রজিৎ সিং বলেন, “গত ৩ এপ্রিল প্রদীপবাবুর স্ত্রীর খুন হয়েছিল, আর আজ তিনি নিজেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত তাঁর স্ত্রীর খুনির হদিশ মেলেনি। এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।”