Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

এসআইআর হলে অর্ধেক নাম বাদ পড়বে! অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে দায়ী করলেন অনন্ত মহারাজ

 অনুপ্রবেশ, পরিচয়পত্র ও এসআইআর— এই তিন শব্দ এখন জেলার রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে। 

এসআইআর হলে অর্ধেক নাম বাদ পড়বে! অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে দায়ী করলেন অনন্ত মহারাজ

অনন্ত মহারাজ।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 23 October 2025 20:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্তবর্তী জেলার রাজনীতি আবারও উত্তপ্ত। কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্যসভার সদস্য অনন্ত মহারাজ (Ananta Maharaj) এবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) কাঠগড়ায় তুললেন অনুপ্রবেশ ও ভুয়ো পরিচয়পত্রের অভিযোগে (Infiltration Issue)। 

তাঁর সোজাসাপ্টা মন্তব্য, “যদি সঠিকভাবে এসআইআর (Special Investigation Report) হয়, তবে অন্তত ৫০ শতাংশ নাম বাদ পড়বে ভোটার তালিকা থেকে (Voter List)।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

অনন্ত মহারাজের দাবি, কোচবিহার সীমান্তবর্তী হওয়ায় বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ এবং অন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে প্রচুর মানুষ অনুপ্রবেশ করেছেন। তাঁদের অনেকে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাহায্যে ভোটার কার্ড, আধার সহ একাধিক সরকারি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছেন। 

সাংসদের অভিযোগ, “এই কাজের পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসেরই হাত রয়েছে। রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের পরিচয় দিতে সাহায্য করছে।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করে এবং এসআইআর সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তবে আসল তথ্য সামনে চলে আসবে। তখন কেউ কিছু আটকাতে পারবে না। হুমকি দিয়ে লাভ নেই।” তাঁর মতে, সীমান্ত অঞ্চলে এই অনুপ্রবেশই কোচবিহারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে।

তৃণমূলকে আক্রমণ করলেও অনন্ত মহারাজ সরাসরি দলীয় নাম না নিয়ে বলেন, “আগামী নির্বাচনে যারা সৎভাবে কাজ করবে, তারাই জিতবে। অনুপ্রবেশকে হাতিয়ার করে কেউ বেশি দিন রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে পারবে না।” তবে তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট — লক্ষ্য শাসক দল তৃণমূল।

বিজেপি বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে, অনুপ্রবেশের মাধ্যমে তৃণমূল ভোটব্যাঙ্ক বাড়াচ্ছে। এবার সেই একই সুরেই অনন্ত মহারাজের মন্তব্য আরও জোরাল করে তুলেছে ওই ইস্যু। জেলা বিজেপি নেতৃত্বও তাঁর পাশে সুর মিলিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, “রাজ্য প্রশাসনের মদতেই অনুপ্রবেশকারীরা সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন। ভোটের আগে সব প্রকাশ্যে আসবে।”

অন্যদিকে, তৃণমূল সূত্রে দাবি, বিজেপি মানুষের আসল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের মন্তব্য করছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির কথা না বলে বিজেপি শুধুই বিভাজনের রাজনীতি করছে।

তবে সব মিলিয়ে, অনন্ত মহারাজের এই মন্তব্যে নতুন করে সরগরম কোচবিহার। অনুপ্রবেশ, পরিচয়পত্র ও এসআইআর— এই তিন শব্দ এখন জেলার রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে। আগামীর নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।


```