এখনও অবধি বাংলায় প্রায় ৯০ শতাংশ এনুমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের (Enumeration Form) কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আর সেই হিসেবে সোমবার সকাল পর্যন্ত আন-কালেক্টেড ফর্মের সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৪২ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪৬।

গ্রাফিক্স: দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 1 December 2025 14:21
এখনও অবধি বাংলায় প্রায় ৯০ শতাংশ এনুমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের (Enumeration Form) কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আর সেই হিসেবে সোমবার সকাল পর্যন্ত আন-কালেক্টেড ফর্মের সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৪২ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪৬।
এখন ভোটারদের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই আন-কালেক্টেবল বলতে ঠিক কাদের কথা বলা হচ্ছে। কমিশন (election Commission) আগেই জানিয়েছিল, যারা মৃত, পাওয়া যায়নি বা অনুপস্থিত, পার্মানেন্টলি শিফটেড অর্থাৎ যাঁরা স্থায়ীভাবে সরে গিয়েছে, আগেই এনরোল করা ছিল বা নাম ছিল এবং অন্যান্যদের মিলিয়ে হল আন-কালেক্টেবল।
সোমবার সকাল পর্যন্ত কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, জেলা ভিত্তিক আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৪২ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪৬। যাদের মধ্যে,
সবচেয়ে বেশি আনকালেক্টেবল ফর্মের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। সংখ্যাটা ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৮৩৬ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এবং তৃতীয় হাওড়া।
কমিশনের বক্তব্য, যেহেতু এখনও একাধিক জেলায় এখনও আন কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যাটা আপলোড করা হচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই আসল সংখ্যাটা পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে বেশ কয়েকজন বিএলও-র কাজের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন দিল্লির নিয়োগ করা স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।
কমিশন খবর পেয়েছে, অনেক জায়গায় তিনবার করে ভিজিট করার পরেও চূড়ান্ত তালিকা আপলোড করতে দেরি করছেন বেশ কিছু বিএলও। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারাই নাকি বিএলও-দের বলছেন এখন কিছু আপলোড করার দরকার নেই, একেবারে শেষ মুহূর্তে যখন বলা হবে তখন করলেও হবে। যা নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার। ঘুরিয়ে জানতেও চেয়েছিলেন, ঠিক কার নির্দেশের অপেক্ষা করছেন বিএলও-রা। কমিশনের বক্তব্য, এই আপলোডের প্রসেস যত তাড়াতাড়ি মিটবে, তত স্পষ্ট হবে বাংলার মৃত ভোটারের আসল সংখ্যাটা।