.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 8 November 2024 18:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ চলছে। এখনও সেই অর্থে শীতের কোনও প্রভাব নেই বাংলায়। অধিকাংশ বাড়িতে লেপ-কম্বল এখনও বাক্সবন্দি।
নিম্নচাপের দাপটে শীতের আগমনে দেরির কথা আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এবার হাওয়া অফিসের তরফে নির্দিষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হল, বাংলায় কবে থেকে প্রবেশ করবে শীত।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আধিকারিক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানান, নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের অনুকুল পরিবেশ তৈরি হবে বাংলায়। সেদিন থেকেই শুরু হবে পারদ পতন। পশ্চিমের জেলাগুলিতে অর্থাৎ ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়ায় পারদ পতন একটু বেশিই হবে। একই সময় থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও শীতের আমেজ অনুভূত হবে।
এই মুহূর্তে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। শনিবারের মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর প্রভাবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল সংলগ্ন এলাকায়। তবে এই ঘূর্ণাবর্তের দাপটে বাংলায় সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না।
তবে শুক্র ও শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশার পরিস্থিতি থাকবে। বেলা বাড়লে কোথাও আংশিক মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা। বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আপাতত শুষ্ক থাকবে। সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। সেক্ষেত্রে সকালের দিকে সুস্পষ্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সম্ভাবনা থাকবে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির খুব সামান্য সম্ভাবনা।
শনিবার কলকাতার আকাশ মূলত পরিষ্কার হবে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা ও ধোঁয়াশা থাকবে। আগামী চার-পাঁচ দিন তাপমাত্রার বিশেষ বদলের সম্ভাবনা নেই।
আলিপুর জানিয়েছে, রবিবার জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমীর দিন ও সোমবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যের উপকূলের জেলাগুলিতে। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কয়েকটি এলাকায়।