বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি। অভিযুক্ত এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী মহম্মদ সলমন এখনও অধরা।
_1.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 February 2026 08:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাতের শহরে ফের শ্যুটআউট (Kolkata Shootout)! সোমবার গভীর রাতে এক সামান্য বচসা ভয়াবহ রূপ নেয়। তিলজলায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি। অভিযুক্ত এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী মহম্মদ সলমন (Md Salman) এখনও অধরা। এদিকে পুলিশের (Police) বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আনছে আহত যুবকের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও।
স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বিকেলে ১৯ বছরের মহম্মদ নিয়াজের সঙ্গে বচসা বাধে সলমনের। চিৎকার শুনে এলাকাবাসীরা সেখানে যান। তাঁদের মধ্যস্থতায় তখনকার মতো ঝামেলা থামে। কিন্তু অভিযোগ, গভীর রাত ১টা নাগাদ নিয়াজকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় সলমনের দলবলের লোকেরা। কিছুদূর যেতেই তাঁকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয় (Kolkata Shootout) বলে অভিযোগ। যুবকের পায়ে তিনটি গুলি লেগেছে। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছে নিয়াজের।
আহতর পরিবারের অভিযোগ, সলমন এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী। তোলাবাজি, চুরি, ডাকাতির মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত (Allegation against Salman)। গতকাল কী কারণে বচসা হয়েছিল দু'জনের মধ্যে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পরিবারের অভিযোগ, সলমন টাকা আদায়ের জন্য এলাকায় অনেককেই উত্যক্ত করত, নিয়াজকেও হয়তো সেই কারণে ধরে ছিল।
ঘটনার পর থেকেই মহম্মদ সলমন এবং তাঁর দলবল পলাতক। বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছে (Police Investigation)। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশের কাছে আগেও সলমনকে নিয়ে অনেক অভিযোগ গেছে, কিন্তু তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি সলমন তোলাবাজি করে জেনেও পুলিশের তরফে পদক্ষেপ করা হয়নি।
কয়েক সপ্তাহ আগেই গোলপার্কের (Golpark Incident) কাঁকুলিয়া রোডে গুলি চালানো ও বোমাবাজির ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনও পলাতক। এলাকা দখল ও বস্তি দখল প্রসঙ্গ, বেআইনি নির্মাণ-সহ একাধিক অবৈধ কাজের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সোনা পাপ্পু (Sona Pappu)।
অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এর মাঝেই সাফাই দিয়ে একটি লাইভ ভিডিও করেছিলেন তিনি। এরপরও সোনা পাপ্পুকে ধরতে পারেনি পুলিশ।
২০২২ সালে তাঁর নাম কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের তালিকায় জুড়ে জেলবন্দি করেছিল কলকাতা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বেরিয়ে আসে এবং আবার শুরু হয় প্রভাব-প্রতিপত্তি। ধীরে ধীরে এলাকার 'ত্রাস' হয়ে উঠেছিলেন সোনা পাপ্পু।