
শেষ আপডেট: 27 August 2019 18:30
চেতক সিঙ্গল ইঞ্জিন টারবো চপার। লাইট ইউনিট হেলিকপ্টার যার গতিবেগ ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার। চেতক ছাড়াও চিতা হেলিকপ্টার উড়ানেও দক্ষ শালিজা। বলেছেন, ‘‘আমি এখনও মনে করতে পারি ২০০৩ সালে হায়দরাবাদের অ্যাকাডেমিতে প্রথম একা এইচপিটি-৩২ দীপক উড়িয়েছিলাম। প্রশিক্ষকরাও অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। আজ আমি নিজেই প্রশিক্ষক এবং বায়ুসেনার লাইট ইউনিট হেলিকপ্টারের কম্যান্ডার।’’
আরও পড়ুন: দেশের একমাত্র মহিলা কমব্যাট ট্রেনার, বিশ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন সীমা
লুধিয়ানার মেয়ে শালিজার স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার। গত ১৫ বছর ধরে বায়ুসেনার উইং কম্যান্ডার হিসেবে কাজ করছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘হেলিকপ্টার ওড়ানো আমার কাছে গাড়ি চালানোর থেকেও সহজ। কারণ সামনে কোনও ট্রাফিক থাকে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আকাশে থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার।’’ শালিজা এখন এক সন্তানের মা। পরিবার ও পেশা, দু’দিকই সমান ভাবে সামলাতে পারেন বায়ুসেনার এই দক্ষ অফিসার।
এ দেশে ১৯৯৪-এ প্রথম একা বায়ুসেনার বিমান চালান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হরিতা কউর দেওল। মাত্র ২২ বছর বয়সে। তার পর থেকেই পুরুষ ও মহিলা বিমানচালকদের মধ্যে গণ্ডি ভেঙে ফেলার লড়াই চলছে। ২০১০-এ দিল্লি হাইকোর্ট মহিলা বিমানচালকদের দীর্ঘ মেয়াদি নিয়োগের নির্দেশ দেয়। তার আগে পর্যন্ত মহিলারা তিন সামরিক বাহিনীতে ১৪ বছরের বেশি চাকরি করতে পারতেন না। এর পরেই আরও জোরদার হয় যুদ্ধবিমানের ‘কন্ট্রোল স্টিক’ হাতে নেওয়ার দাবি। ফ্লাইট কম্যান্ডার হিসেবে শালিজা ধামির নিয়োগ এটাই স্পষ্ট করছে আকাশে বৈষম্যের সীমারেখা অবশেষে ভেঙেই ফেলেছে ভারতীয় বাহিনী।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-declared-dead-at-birth-up-girl-noopur-singh-is-kbc-winner-2019/