Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

জমা জলে রেহাই নেই, ভ্যাকসিন কেন্দ্রে গিয়েও চরম দুর্ভোগ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কারও প্রথম ডোজ, কারওর আবার দ্বিতীয়। সকাল থেকে ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ। এটা কোনও অচেনা চিত্র নয়। রাজ্য জুড়ে সব টিকাকরণ কেন্দ্রের কম-বেশি চিত্রটাই এমন। তবে কলকাতার ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীধর রায় রোডের টিক

জমা জলে রেহাই নেই, ভ্যাকসিন কেন্দ্রে গিয়েও চরম দুর্ভোগ

শেষ আপডেট: 21 September 2021 08:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কারও প্রথম ডোজ, কারওর আবার দ্বিতীয়। সকাল থেকে ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ। এটা কোনও অচেনা চিত্র নয়। রাজ্য জুড়ে সব টিকাকরণ কেন্দ্রের কম-বেশি চিত্রটাই এমন। তবে কলকাতার ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীধর রায় রোডের টিকাকরণ কেন্দ্রের মঙ্গলবারের চিত্রটা অন্যরকম। টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন (Water Logging) টিকাকরণ কেন্দ্র। টিকা নিতে এসে নাজেহাল অবস্থা সাধারণের। ভ্যাকসিন নিতে সকাল থেকে জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে এখনও টোকেন পায়নি অনেকেই। কারও কারও ভ্যাকসিন মিললেও বাকিদের টোকেন মিলতে বেলা একটা। অর্থাৎ জল ভেঙে এসেও ভ্যাকসিন না মিলল না আজ। ক্ষুব্ধ ভ্যাকসিন নিতে আসা সাধারণেরা। স্থানীয় বাসিন্দা আনন্দ কুমারের কথায়, "ভোর পাঁচটা থেকে জল-বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি। ১১টার সময় ক্যাম্প খুলেছে। এখনও টোকেন পাইনি। জিজ্ঞেস করলেই বলছে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকুন।" একই সুরে ক্যাম্পের দুরাবস্থার কথা শোনালেন যোগেশ ভগত। তাঁর কথায়, "জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি এখনও কোনও কাগজপত্র জমা নেয়নি। কখন নেবে ঠিক নেই।" সোনু কুমার সিংহ রায়ের কথায়, "কাগজ জমা নেবে মুখে বলছে, কিন্তু জমা দিতে গেলে নিচ্ছে না, শুধু লাইনে দাঁড়াতে বলছে। জলের মধ্যে খুব অসুবিধা হচ্ছে।" এই ক্যাম্পে আসা কম-বেশি সকলেই একই অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে এই নিয়ে ওখানকার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তবে ভেতরে থাকা এক কর্মীর কথায়, "ওপরে ভিড় থাকার জন্যই সবাইকে বাইরে লাইনে দাঁড়াতে বলা হচ্ছে। করোনার সময় একসঙ্গে মানুষ ভিড় করলে চলে না। বৃষ্টির মধ্যে সকলেরই অসুবিধা হচ্ছে। মানুষকেই তো একটু সহযোগিতা করতে হবে।" "আমাদের দরকার তাই, জল হলেও দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তারিখ চলে গেলে পরে পাব কি না কে জানে।" এমনই কথা ক্যাম্পে আসা সব মানুষের মধ্যেই ইতিউতি ঘুরছে। একদিকে করোনার ভ্যাকসিন, অন্যদিকে জল-যন্ত্রণা দুই চাপে দিশেহারা সাধারণেরা। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কখন ডাক পড়বে তার ঠিক নেই। অন্যদিন হলে তাও ঠিক ছিল কিন্তু জলের মধ্যে এইভাবে দাঁড়াতে গিয়ে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে সাধারণের মধ্যে। "জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন নিচ্ছি, তারওপর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।" জানালেন টুসু নস্কর। সেই একই সুরে সুর মিলিয়ে জল-যন্ত্রণা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন দিশা রায়, বীনা যাদবরা। ক্যাম্পে আসতে কোনো যানের সুবিধা নেই এলাকায়। ভরসা রিকশ। কিন্তু জল পেরোতে রিকশ করে আসতে বেশিই পয়সা গুনতে হচ্ছে সাধারণদের। নিরুপায় হয়ে ভরসা তাই জল পেরিয়ে হাঁটা। পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'

```