
শেষ আপডেট: 21 September 2021 08:15
সোনু কুমার সিংহ রায়ের কথায়, "কাগজ জমা নেবে মুখে বলছে, কিন্তু জমা দিতে গেলে নিচ্ছে না, শুধু লাইনে দাঁড়াতে বলছে। জলের মধ্যে খুব অসুবিধা হচ্ছে।" এই ক্যাম্পে আসা কম-বেশি সকলেই একই অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে এই নিয়ে ওখানকার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
তবে ভেতরে থাকা এক কর্মীর কথায়, "ওপরে ভিড় থাকার জন্যই সবাইকে বাইরে লাইনে দাঁড়াতে বলা হচ্ছে। করোনার সময় একসঙ্গে মানুষ ভিড় করলে চলে না। বৃষ্টির মধ্যে সকলেরই অসুবিধা হচ্ছে। মানুষকেই তো একটু সহযোগিতা করতে হবে।"
"আমাদের দরকার তাই, জল হলেও দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তারিখ চলে গেলে পরে পাব কি না কে জানে।" এমনই কথা ক্যাম্পে আসা সব মানুষের মধ্যেই ইতিউতি ঘুরছে। একদিকে করোনার ভ্যাকসিন, অন্যদিকে জল-যন্ত্রণা দুই চাপে দিশেহারা সাধারণেরা।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কখন ডাক পড়বে তার ঠিক নেই। অন্যদিন হলে তাও ঠিক ছিল কিন্তু জলের মধ্যে এইভাবে দাঁড়াতে গিয়ে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে সাধারণের মধ্যে।
"জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন নিচ্ছি, তারওপর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।" জানালেন টুসু নস্কর। সেই একই সুরে সুর মিলিয়ে জল-যন্ত্রণা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন দিশা রায়, বীনা যাদবরা।
ক্যাম্পে আসতে কোনো যানের সুবিধা নেই এলাকায়। ভরসা রিকশ। কিন্তু জল পেরোতে রিকশ করে আসতে বেশিই পয়সা গুনতে হচ্ছে সাধারণদের। নিরুপায় হয়ে ভরসা তাই জল পেরিয়ে হাঁটা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'