Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

যোগ্যপ্রার্থীকে বঞ্চিত করে কম নম্বরের প্রার্থীকে কেন চাকরি? এসএসসির হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

এ ব্যাপারে এসএসসিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তার আগে এসএসসিকে হলফনামা জমা দিতে হবে।

 যোগ্যপ্রার্থীকে বঞ্চিত করে কম নম্বরের প্রার্থীকে কেন চাকরি? এসএসসির হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

শেষ আপডেট: 4 May 2024 16:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কীসের স্বার্থে যোগ্যপ্রার্থীকে বঞ্চিত করে কম নম্বরের প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হল? নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট। 

এ ব্যাপারে এসএসসিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তার আগে এসএসসিকে হলফনামা জমা দিতে হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বাসিন্দা তারিফ আলি ২০১২সালে ভূগোল বিষয়ে আরএলএসটি পরীক্ষায় বসেছিলেন। পরীক্ষায় পাশ করে মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন।

মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরীর অভিযোগ, মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও নিয়োগপত্র পায়নি তারিফ। পরে তথ্যের অধিকার আইনে এসএসসি জানায়, পরীক্ষায় তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৫২। এমনকী একাডেমিক স্কোরের জন্য নির্ধারিত নম্বরের চেয়ে তাঁকে ২ নম্বর কম দেওয়া হয়।

আশিসবাবু আদালতে বলেন, এসএসসির বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যাঁরা স্নাতকস্তরে ৫০ শতাংশের বেশি নম্বর পাবেন, তাঁরা স্নাতকের ১৪ নম্বরের মধ্যে ১২ নম্বর পাবেন। অথচ তারিফ স্নাতকস্তরে ৫০ শতাংশের  বেশি নম্বর পেলেও তাঁকে ১২ নম্বরের পরিবর্তে ১০ দেওয়া হয়েছে। এসএসসির তরফে সঠিক নম্বর দিলে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর দাঁড়াতো ৫৪।

মামলাকারী এসএসসির কাছে সমস্ত নথি সমেত লিখিত অভিযোগে জানান, একই মেধা তালিকায় ৫২.৩৩ নম্বর পেয়েও নিয়োগপত্র পেয়ে চাকরি করছেন। অথচ তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৫৪ হওয়া সত্বেও তাঁকে নিয়োগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। 

এসএসসি তারিফ আলির অভিযোগের কোনও জবাব দেয়নি। এরপরই সুবিচার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তারিফ। 

এদিন এসএসসিকে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতির প্রশ্ন, "এটা এসএসসির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। কারণ একাডেমিকসে নম্বর কীভাবে কমে যায় এবং যোগ্যপ্রার্থীকে বঞ্চিত করে কম নম্বরের প্রার্থীকে কীভাবে চাকরি দেওয়া হল?"


```