Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

বাচ্চাকে শাসন করতে গায়ে হাত তোলেন বুঝি? এ দেশে এমন করলে কিন্তু জেলে যেতে হতে পারে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোট বাচ্চাদের মারধর করা আইন করে নিষিদ্ধ করতে চলেছে স্কটল্যান্ড। বৃহস্পতিবার স্কটিশ পার্লামেন্টে শিশুদের উপর সব রকমের শারীরিক নির্যাতন নিষেধ করার আইন পাস করার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। স্কটল্যান্ডের বর্তমান আইন বলছে, শিশুরা দ

বাচ্চাকে শাসন করতে গায়ে হাত তোলেন বুঝি? এ দেশে এমন করলে কিন্তু জেলে যেতে হতে পারে

শেষ আপডেট: 4 October 2019 12:47

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোট বাচ্চাদের মারধর করা আইন করে নিষিদ্ধ করতে চলেছে স্কটল্যান্ড। বৃহস্পতিবার স্কটিশ পার্লামেন্টে শিশুদের উপর সব রকমের শারীরিক নির্যাতন নিষেধ করার আইন পাস করার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। স্কটল্যান্ডের বর্তমান আইন বলছে, শিশুরা দুষ্টুমি করলে তাদের শুধরোনোর জন্য প্রয়োজনে বাবা-মা বা অন্য কোনও অভিভাবক হাল্কা শারীরিক শাস্তি দিতে পারেন। কিন্তু এবার সেটাও বন্ধ হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের যেমন আঘাত করলে তা আইনের আওতায় অপরাধ, শিশুদের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হবে এবার থেরে। শিশুদের উপর যে কোনও রকম আক্রমণ থেকে প্রতিরক্ষা দেওয়ার জন্য এই আইনটি তৈরি হতে চলেছে বলে জানিয়েছে স্কটল্যান্ড সরকার।
স্কটিশ গ্রিনস পার্টি থেকে নির্বাচিত স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্য জন ফিনি প্রথম এ আইনটির প্রস্তাব দেন। এর পরে পার্লামেন্টের কনজার্ভেটিভ পার্টির সদস্যরা ছাড়া অন্য সব সদস্যই একে একে সমর্থন করেন। এই আইনটি পাস হলে, কোনও শিশুর প্রতি যে কোনও রকম শারীরিক শাস্তির জন্য তার বাবা-মাকে বিচারের আওতায় আনা যাবে। এই আইনটি যাঁরা সমর্থন করছেন না, সেই বিরোধীরা বলছেন, এই আইনে বহু বাবা-মাই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হবেন।এখন প্রচলিত আইনটিতে শিশুদের শাসন করার জন্য শুধু হাতে ও শরীরের নীচের অংশে হালকা চাপড় দেওয়ার অনুমতি আছে বাবা-মায়ের। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় ভাবে এই আইন কঠোর করতে গেলে গুরুতর নির্যাতনের শিকার শিশুদের কোনও উপকার তো হবেই না, বরং সাধারণ বাবা-মায়েদের পক্ষে সন্তানদের শাসন করাই মুশকিল হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। ১৯৭৯ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সুইডেন শিশুদের উপর যে কোনও শারীরিক নির্যাতনকে আইন করে নিষিদ্ধ করে। স্কটল্যান্ডে এই আইনটি পাস হলে তারা এ ধরনের আইন পাসকারী দেশের মধ্যে ৫৮তম দেশ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এখন ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মারধরের ফলে কোনও শিশুর শরীরে আঘাতের দাগ পড়লে বা কেটে গেলে আঘাতকারীর বিরুদ্ধে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। আয়ারল্যান্ডেও ২০১৫ সাল থেকে শিশুদের উপর সব শারীরিক নির্যাতনকে নিষেধ করে আইন পাস করা হয়।

```