Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

কিউআর কোড স্ক্যান করুন, চিনুন গাছ! অভিনব উদ্যোগ বটানিক্যাল গার্ডেনে

গাছের লেভেলিং সঙ্গে এবার কিউআর কোড দেওয়া থাকছে গাছের সামনে। এই কোড স্ক্যান করলেই জানা যাবে গাছের নাম ও তাঁর গুণাগুণ!

কিউআর কোড স্ক্যান করুন, চিনুন গাছ! অভিনব উদ্যোগ বটানিক্যাল গার্ডেনে

ফাইল চিত্র

শেষ আপডেট: 17 January 2025 22:26

দেবাশিস গুছাইত, হাওড়া

গাছ দেখেন তো বটে, কিন্তু সব গাছ চেনেন কি? যদি না চিনে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রয়েছে শিবপুর বটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষ। কারণ গাছ চেনাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে তাঁরা। 

গাছের লেভেলিং সঙ্গে এবার কিউআর কোড দেওয়া থাকছে গাছের সামনে। এই কোড স্ক্যান করলেই জানা যাবে গাছের নাম ও তাঁর গুণাগুণ! কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষ এই সমস্ত গাছ সম্পর্কে জানেন না। ফলে তাঁরা যাতে এই গাছগুলির গুণ সম্পর্কে জানতে পারেন তাই এই ব্যবস্থা। 

এই অভিনব উদ্যোগে ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে খুশি সাধারণ মানুষও। তাঁরাও গাছের সম্পর্কে জানতে কিও আর কোড স্ক্যান করছেন। এতে একদিকে যেমন পড়াশোনার জন্য উপকার হচ্ছে, অন্যদিকে গাছ সম্পর্কে জ্ঞানও বাড়ছে। 

শিবপুর বটানিক্যাল গার্ডেনের একটা লম্বা ইতিহাস রয়েছে। আচার্য্য জগদীশ চন্দ্র বসু ভারতীয় উদ্ভিদ উদ্যান ১৭৮৭ সালে হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে তৈরি করেন কর্নেল রবার্ট কিড। এশিয়ার বৃহত্তম উদ্ভিদ উদ্যান এটি। ৩১৩ একর জমিতে সাজিয়ে তোলা এই উদ্যানে এক সময়ে ভারতের চা, পাট, কফি, কোকো, তামাক, প্রথম উৎপন্ন হতে। 

বর্তমানে বহু ধরণের গাছ রয়েছে এখানে। গ্রেট ব্যানিয়ন ট্রি ছাড়াও জল পদ্ম, জোড়া নারকেল, সসেজ গাছ, কল্প বৃক্ষ, সাদা ও লাল চন্দন গাছ রয়েছে। এছাড়াও মেডিসিন প্ল্যান্ট অর্থাৎ ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছও রয়েছে এখানে। যে গাছ চেনেন সেটা তো দেখেই বুঝতে পারবেন। আর যেটা চেনেন না, তা চিনতে চলে যেতেই পারেন এই উদ্যানে। তবে ফোন নিয়ে যেতে ভুলবেন না।


```