
রাজ্যপাল বোস ও সায়নী ঘোষ।
শেষ আপডেট: 14 September 2024 15:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ১২ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামাজিক বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এক ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল বোস নিজেই একথা জানিয়েছিলেন।
রাজ্যপালের ওই সিদ্ধান্তে যারপরনাই আনন্দিত হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ! সোশ্যাল মাধ্যমে একটি পোস্ট করে সায়নী নিজেই একথা জানিয়েছেন। সঙ্গে তীব্র শ্লেষের সঙ্গে রাজ্যপালকে 'দ্য মলেস্টার' বলে কটাক্ষও করেছেন।
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যপাল বলেছিলেন, "আমি মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কট করব। আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোনও পাবলিক প্ল্যাটফর্ম শেয়ার করব না।"
ওই প্রসঙ্গ টেনে টুইটে সায়নী লিখেছেন, "আমি আনন্দিত যে বোস দ্য মলেস্টার মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।' এরপরই সায়নীর সংযোজন, 'দিদি অবশেষে এখন নিরাপদ।'
রাজভবনকে 'বিজেপির পার্টি অফিস' বলে কটাক্ষ করে সায়নী মনে করিয়ে দিয়েছেন, 'সুরক্ষার কথা ভেবে আগেই রাজ্যপালের বাসভবন বয়কট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।' একই সঙ্গে এও লিখেছেন, রাজ্যপাল বোস উপ রাষ্ট্রপতির পদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
I’m glad #BOSE THE MOLESTER with skyrocketing vice presidential aspirations has decided to socially boycott @MamataOfficial
— Saayoni Ghosh (@sayani06) September 13, 2024
Didi is finally safe now.
She was the one to boycott him & his residence aka the BJP party office first since women safety & BJP is antonymous in nature!
প্রসঙ্গত, বর্তমানে যিনি উপ রাষ্ট্রপতি পদে রয়েছেন সেই জগদীপ ধনখড় আগে বাংলার রাজ্যপাল ছিলেন।
লোকসভা ভোটের সময় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। ওই ঘটনায় সে সময় রাজ্যপালের এমন আচরণের তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, "আমি বাবা আর রাজভবনে যাব না। প্রয়োজনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেখা করে আসব।"
শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, রাজভবনের ওই কাণ্ড সামনে আসার পর সেখানে শপথবাক্য পাঠ করতে যেতে চাননি নব নির্বাচিতা বিধায়িকা-অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নিজের পোস্টে পরোক্ষে এই প্রসঙ্গের ইঙ্গিত করে সায়নী লিখেছেন, 'দিদি অবশেষে এখন নিরাপদ।'
এর আগে রাজ্যপালের ওই বিবৃতির পরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, "রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তো ভযঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। সেকারণে মুখ্যমন্ত্রী ওনাকে এড়িয়েও চলেন। সকলের উচিত রাজ্যপালকে বয়কট করা।"