
শেষ আপডেট: 17 November 2023 17:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ থেকে রেশন-- একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তারমধ্যেই এবার আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তা হল সারের কালোবাজারি। দিন কয়েক ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই কালোবাজারির অভিযোগ সামনে আসছে। আলু চাষের মরশুমে সারের কালোবাজারি রুখতে তৎপর রাজ্য প্রশাসন। কৃষিমন্ত্রী শোভেনদেব চট্টোপাধ্যায় এদিন জানান, কালোবাজারি আটকাতে আমরা ইতিমধ্যেই অনেক ব্যবস্থা নিচ্ছি।
সূত্রের খবর, রাজ্যজুড়ে সারের কালোবাজারি নিয়ে ভূরিভূরি অভিযোগ জমা পড়েছে কৃষি দফতরে। বিশেষত হুগলি জেলার একাধিক ব্লকের সারের দোকানগুলির বিরুদ্ধেই উঠছে বেশি অভিযোগ। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ তো আছেই, তাছাড়াও গোডাউনে সার মজুত রেখে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করার অভিযোগও সামনে এসেছে। জেলা প্রশাসন এই নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত। পুলিশ ও প্রশাসন কালোবাজারি রুখতে দোকানে দোকানে হানা দিচ্ছে।
এদিন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান, 'কালোবাজারি রুখতে আমরা একাধিক ব্যবস্থা নিতে পারি। প্রয়োজনে ডিলারদের কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে। লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হতে পারে।' সেইসঙ্গে তিনি এও জানান, কালোবাজারি রুখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। যেসব জায়গা থেকে অভিযোগ বেশি আসছে, সেইসব জায়গার দোকানগুলিতে হানা দেওয়া হচ্ছে। কী দামে সার বিক্রি করছে তারা, গোডাউনে সার মজুত করে রাখা হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে।
কীভাবে নজরদারি চালানো হচ্ছে?
জানা গেছে, দোকানে দোকানে কীভাবে সারের বিক্রি হচ্ছে, দাম কত নেওয়া হচ্ছে ক্রেতাদের থেকে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দোকানগুলিতে সারের মূল্য তালিকা টাঙানো আছে কিনা তা নজর রাখা হচ্ছে। যদি না থাকে অবিলম্বে তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে দোকানগুলিকে। পাশাপাশি, মজুত সারের হিসেব মিলিয়ে দেখছে জেলা পুলিশ-প্রশাসন।