ভোটার বা আধার কার্ডও আছে, রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু গ্রেফতার হায়দরাবাদে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় নাগরিকত্বের ভুয়ো নথি নিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন এক রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু। মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই যে নানা উপায়ে ভারতীয় নাগরিকত্বের নথি বানাচ্ছেন এমন অভিযোগ অনেক উঠেছে। অতীতেও এই অপরাধে অনেককে গ্রেফতার করা হয়ে
শেষ আপডেট: 29 July 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় নাগরিকত্বের ভুয়ো নথি নিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন এক রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু। মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই যে নানা উপায়ে ভারতীয় নাগরিকত্বের নথি বানাচ্ছেন এমন অভিযোগ অনেক উঠেছে। অতীতেও এই অপরাধে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে দেশের নানা প্রান্তে। এবার তা ফের সামনে এল। হায়দরাবাদে গ্রেফতার ওই রোহিঙ্গা শরণার্থীর নাম মহম্মদ ফারুখ।
আরও পড়ুন
গ্রেফতারের পরে পুলিশ জানতে পেরেছে, মহম্মদ ফারুখ ২০০৯ সালে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকে। এর পরে বছর তিনেক লুকিয়ে ছিল জম্মু ও কাশ্মীরে। ২০১১ সালে সেখান থেকে চলে আসে হায়দরাবাদে। গত কয়েক বছর শহরের জলপল্লী এলাকায় থাকে। সেখানেই সৈয়দ কায়দারউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির মাধ্যমেই টাকা দিয়ে ভারতীয় নাগরিকত্বের ভুয়ো নথি জোগাড় করে। টাকার বিনিময়ে পেয়ে যায় ভোটার কার্ড, আধার কার্ড। শুধু তাই নয়, সেই সব কার্ডের সাহায্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা নিতে থাকে।
কিছুদিন আগেই পুলিশের নজরে পড়ে মহম্মদ ফারুখ। এর পরে তদন্ত শুরু করতেই পুলিশ তার সব নথিই যে জাল তা জানতে পারে। হায়দরাবাদের মোগলপুরা থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে জলপল্লী এলাকায় অভিযান চালায়। হায়দরাবাদ ও মোগলপুরা থানার পুলিশ ছাড়াও অভিযানে ছিল টাস্ক ফোর্স, সাউথ জোন টিম। পুলিশ জলপল্লী এলাকা থেকেই মহম্মদ ফারুখ ও সৈয়দ কায়দারউদ্দিনকে গ্রেফতার করে। জাল নথি তৈরির ব্যাপারে এদের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত তার খোঁজ করছে পুলিশের তদন্তকারী দল। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। যাবতীয় নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ২০১৭ সালে ব্যাপক হামলা চালায় দেশের সেনাবাহিনী। খুনজখম, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ভয়ে প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাদের এক বড় অংশ আশ্রয় নেয় ভারত ও বাংলাদেশে। কেন্দ্রের হিসেব অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ভারতের বিভিন্ন ক্যাম্পে মায়ানমার থেকে আসা প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে। তাদের সব তথ্য অবশ্য সরকারের কাছে নেই।