
শেষ আপডেট: 2 April 2023 02:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একাধিক বিদেশ সফর নিয়ে একটি চালু কথা রয়েছে। নিন্দকরা বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নাকি বিদেশমন্ত্রী বোঝা মুশকিল! এবার সেই একই কথা উঠতে পারে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাককে (Rishi Sunak) নিয়েও। কারণ, গতবছর সেদেশের প্রধান পদে বসার পর তিনি বিদেশ সফরের (foreign trip) জন্য শুধুমাত্র প্রাইভেট বিমানে (Private Jet) চড়েই ৫ লক্ষ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় পাঁচ কোটিরও বেশি) খরচ করেছেন।
সবথেকে অবাক করা বিষয় হল, এই খরচ কয়েকমাসের নয়, সবমিলিয়ে মাত্র ১৫ দিনের। ২০২২ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই একাধিক দেশে সফরে গিয়েছিলেন সুনাক। এবার সেই সফরের খরচের তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। যা দেখে খানিকটা অবাকই হয়েছে রাজনৈতিক মহল। শুরু হয়েছে প্রতিবাদও।
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মিশরে কপ ২৭ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুনাক। সেই সফরে যাতায়াতের জন্য ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর ১ লক্ষ ৮০ হাজার পাউন্ড খরচ হয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই তিনি ইন্দোনেশিয়া চলে যান জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে। সেখান থেকে দেশে ফেরেন ১৭ নভেম্বর। এই সফরে ঋষির খরচের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৪০ হাজার পাউন্ড।
এখানেই তাঁর সফর শেষ নয়। ডিসেম্বরে লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়া সফর সেরে তিনি দিনের দিনই ফিরে আসেন। তাতে প্রধানমন্ত্রী সুনাকের ৬২ হাজার পাউন্ড খরচ হয়। সম্প্রতি এই সবক'টি বিদেশযাত্রার হিসেব মিলিয়ে দেখা যায়, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের বিদেশযাত্রা বেশ ব্যয়বহুল। ফলত স্বাভাবিকভাবেই এই বিলাসবহুল বিদেশযাত্রার রিপোর্ট সামনে আসতেই নানা মহল থেকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ইতিমধ্যে সেদেশের অনেকে বলতে শুরু করেছেন যে, দেশের মানুষের করের টাকা নিয়ে এমন বেলাগাম খরচ কখনওই উচিত না। সুনাকের নিন্দায় সরব হয়েছেন তাঁর বিরোধীদল লিবারেল ডেমোক্র্যাটের নেতারাও। এঁদের মধ্যে একজন বলেন, সুনাকের এই খরচের হাত দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে, দেশের সরকার সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধা থেকে কতটা দূরে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর দফতর দেদার খরচের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।
মায়ানমারের কোকো দ্বীপে চিনের গুপ্ত ঘাঁটি, উদ্বেগ বাড়ছে দিল্লিতে