
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 23 December 2024 23:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের আন্দোলনের পথে চিকিৎসকরা। আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Case) সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরির রিপোর্ট (Central Forensic Science Laboratory) প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে শোরগোল তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনের গতিপ্রকৃতির বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধে ৮টায় ধর্মতলার মঞ্চ থেকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আরজি কর কাণ্ডে সম্প্রতি জামিন পেয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল। তাঁদের জামিনের প্রতিবাদে এবং দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার দাবি-সহ একাধিক দাবিতে ২০ ডিসেম্বর থেকে ওয়াই চ্যানেলে অবস্থানে বসেছে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস। ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই অবস্থান চলার কথা।
তারই মধ্যে সামনে এসেছে, কেন্দ্রীয় ফরেনসিক সংস্থার রিপোর্ট। তাতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, আরজি করের যে সেমিনার হল থেকে ডাক্তারি ছাত্রীর দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে ধস্তাধস্তির কোনও প্রমাণ নেই। অর্থাৎ সেমিনার হল ক্রাইম সিনই নয় (খুন ও ধর্ষণের ঘটনা অন্য কোথাও ঘটানো হয়েছে) অথবা ঘটনার পর যাবতীয় অপরাধ মুছে ফেলা হয়েছিল।
বিষয়টি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরই নির্যাতিতার শরীরের চাদর বদলানো নিয়ে বড় অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। এদিন সেই প্রসঙ্গই টেনে এনেছেন চিকিৎসকরা। বস্তুত, কেন্দ্রীয় ফরেনসিক রিপোর্টে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যে ম্যাট্রেস থেকে ডাক্তারি ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, তাতে ধস্তাধস্তির কোনও চিহ্ন নেই। শুধু ম্যাট্রেস কেন, সেমিনার হলের কোথাওই ছাত্রীর ন্যূনতম প্রতিরোধের কোনও চিহ্ন নেই বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ এতদিন ধরে যেটিকে ক্রাইম সিন হিসেবে বলা হচ্ছিল, সেটা নাকি ক্রাইম সিনই নয়! জানা যাচ্ছে, পি কে মহাপাত্রর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই সিএফএসএল রিপোর্ট তৈরি করেছেন। পি কে মহাপাত্র ছাড়া ওই টিমে ছিলেন একজন বায়োলজিক্যাল, একজন ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং দু'জন ফটো বিশেষজ্ঞ।
এরপরই নতুন করে আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানান, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাত ৮টায় ধর্মতলার মঞ্চ থেকে বিচারের দাবিতে মশাল জ্বালানো হবে এবং তখনই আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা জানানো হবে।