Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পোকামাকড়ের দল, বিপদ বাড়ছে মানবসভ্যতার! উদ্বেগের কথা জানাল গবেষণা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পোকা। ছোট্ট এই প্রাণীটি না দেখতে ভাল, না শুনতে। কিন্তু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই দুনিয়ার ছোট-বড় প্রতিটি জীবেরই সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা জরুরি। আমাদের পছন্দের হোক বা অপছন্দের, যে কোনও জীবের অস্তিত্বের সংকটই এই দুনিয়ার জন

পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পোকামাকড়ের দল, বিপদ বাড়ছে মানবসভ্যতার! উদ্বেগের কথা জানাল গবেষণা

শেষ আপডেট: 1 May 2020 10:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পোকা। ছোট্ট এই প্রাণীটি না দেখতে ভাল, না শুনতে। কিন্তু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই দুনিয়ার ছোট-বড় প্রতিটি জীবেরই সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা জরুরি। আমাদের পছন্দের হোক বা অপছন্দের, যে কোনও জীবের অস্তিত্বের সংকটই এই দুনিয়ার জন্য বিপদের ইঙ্গিতবাহী। তাই পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে ছোট্ট এই পতঙ্গদের ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। কিন্তু উদ্বেগ বাড়িয়ে তথ্য বলছে, পতঙ্গদের পরিমাণ পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে কমছে। শেষ ৩০ বছরে গোটা বিশ্বে পতঙ্গের সংখ্যা ২৫ শতাংশ কমে গেছে, যা কিনা সত্যিই আশঙ্কাজনক। করোনা আতঙ্কে লকডাউনের জেরে মানুষ যখন সারা বিশ্বজুড়ে ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছে, তখন প্রকৃতি সেজে ওঠার নানা সুখবরও এসেছে। মানুষের অবাধ আনাগোনা বন্ধ হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় প্রকৃতির অন্যান্য প্রাণীরা প্রাণ খুলে ঘুরতে পারছে। কোথাও জলের দূষণ সাফ হতেই ভেসে উঠেছে ডলফিনের পরিবার, কোথাও আবার শহরের পথে নির্ভয়ে ঘুরেছে হরিণ। কোথাও আবার ঝাঁকে ঝাঁকে ফিরে এসেছে গোলাপি ফ্লেমিংগো পাখির দল। বহু বছর পরে যেন পৃথিবীকে নিজের করে পেয়েছে তারা। এসব তথ্য ও ছবি নেটিজেনদের মধ্যে বেশ তোলপাড় তুলেছে। এরই মাঝে আবার এই চিন্তা বাড়িয়ে তোলা তথ্যটিও সামনে এল। পৃথিবীর বুক থেকে পতঙ্গদের সংখ্যা দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে। গবেষণা বলছে, ১৯৯০ সালের পর থেকে ২৫ শতাংশ কমে গেছে পতঙ্গরা। এই কমে যাওয়ার হার দিনের পর দিন বাড়ছে। এই কমে যেতে থাকা পতঙ্গদের মধ্যে কিছু কিছু প্রজাতি আবার রীতিমতো সংকটে। দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বহু অঞ্চলে এমন অনেক পতঙ্গ আছে, যাদের সংখ্যা এখন কত, তা নিয়ে কোনও সমীক্ষাই হয়নি। হারিয়ে যাওয়া পতঙ্গদের খোঁজ রাখেনি কেউ। কিন্তু আদতে প্রকৃতির নিয়মেই মানবসভ্যতা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই পতঙ্গদের ওপর চূড়ান্ত নির্ভরশীল। কারণ প্রকৃতির বাস্তুতন্ত্রে পতঙ্গদের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবেশের বর্জ্যকে নতুন করে ব্যবহারের উপযোগী করা, গাছের ফলন, চাষাবাদে সাহায্য ইত্যাদি নানা কাজ নিঃশব্দে ঘটিয়ে যায় পোকারা। সম্প্রতি প্রায় ৭৩টি ভিন্ন গবেষণা থেকে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যদি পতঙ্গদের এই হারিয়ে যাওয়ার হার কোনও ভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা না যায় মানব সভ্যতাধ্বংসের সম্মুখীন হবে। এই গবেষণা যদিও বলছে জলজ পোকারা এই বিপদ থেকে খানিক মুক্ত তবু তাতে সামগ্রিক ভাবে কোন সুরাহা হবে না। 'জার্মান সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটিভ বায়োডাইভার্সিটি রিসার্চ'-এর গবেষক রোয়েল ভ্যান ক্লিঙ্ক বলছেন, শেষ ত্রিশ বছরে ২৫ শতাংশ পতঙ্গ ধ্বংসের পরও মানুষের যদি হুঁশ না ফেরে তাহলে তা সত্যিই আশঙ্কার। পতঙ্গের অভাবে মানুষের একদিন খাদ্যেরও সমস্যা তৈরি হবে। এই পতঙ্গ পতনের হার সব থেকে বেশি ইউরোপে বলেই তিনি জানান। Roel VAN KLINK | Phd | German Centre for Integrative Biodiversity ...ভ্যান ক্লিঙ্কের মতে, শহুরে সভ্যতার আগ্রাসী নির্মাণের জন্যই পতঙ্গরা নিজেদের বাসভূমি হারাচ্ছে। এইটুকু বুঝতে কাউকে খুব জ্ঞানের অধিকারী হতে হয় না, সংবেদী হতে হয়-- এমনটাই মনে করেন তিনি। মানুষের কর্মকাণ্ডের জন্য জলবায়ুর আমূল পরিবর্তন ঘটছে, যার প্রভাব এই পতঙ্গদের ওপর খুব খারাপ ভাবে পড়ছে। চাষাবাদে বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহারেও পতঙ্গদের ক্ষতি বাড়ছে। পাশাপাশি ব্রাজিলের আমাজন অরণ্য ধ্বংসের জন্যও পতঙ্গদের ওপর প্রভাব পড়বে বলে তিনি জানান। কিন্তু এখনই সব শেষ নয়, সময় আছে হাতে। সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নইলে এই খুদে প্রাণীদের হারিয়ে একদিন আমরাই বিপন্ন হবো পৃথিবীর বুকে।

```