ইতিহাসে প্রথম বার, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানো এ বার এবার রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানাবেন আসাম রাইফেলস এবং প্যারা মিলিটারির মহিলা সদস্যদের নিয়ে তৈরি হওয়া একটি দল। এবং এই মহিলা সেনা দলের বেশির ভাগ সদস্যই তাঁদের স্বজনের মৃত্যু পরে সেনাদলের চাকরিতে যোগ দিয়েছেন।
যেমন রাইফেল দলের সুনীতা থাপা। তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পরে এই চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুনীতা জানান, স্বামীর স্বপ্ন পূরণের জন্যই তিনি এই কাজে মন দিয়েছেন। সুনীতার এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে তাঁর পরিবারও। বাড়িতে পাঁচ বছরের একটি ছেলেও রয়েছে তাঁর। সুনীতা বলেন, “আমার পরিবার আমায় নিয়ে গর্বিত এবং আমি আসাম রাইফেলসকে নিয়ে গর্বিত।"

দেড় বছর আগে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন গায়ত্রী শর্মা। এই রাইফেল সেনা জানান, তাঁর বাবা ২০০১ সালে শহিদ হয়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স মাত্র তিন। তার ১৫ বছর পরে তাঁর বাবার জায়গায় এই বাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছিল গায়ত্রীকে। গায়ত্রী বলেন, "দেশের জন্য আমিও আমার বাবার মতোই দায়িত্ব পালন করব। প্রজাতন্ত্র দিবসের অংশ হতে পেরে আমি সম্মানিত"।

সেনা সূত্রের খবর, উত্তরপূর্বাঞ্চলে জঙ্গি বিদ্রোহে এই মহিলা রাইফেলসের ভূমিকা ছিল অসামান্য। শারীরিক সক্ষমতা বা দক্ষতার ঊর্ধ্বে, স্বদেশ ও স্বজনের প্রতি তীব্র আবেগই তাঁদের অনেক বেশি দৃঢ় করেছে।
মেজর খুসবু কানওয়ারের নেতৃত্বাধীন এই দলটিতে মোট ১৪৪ জন সদস্য রয়েছেন। মেজর বলেন, "ইতিহাসে প্রথম বার, রাজপথে কেবল মহিলাদের সামরিক বাহিনী পদযাত্রা করবে।"