
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 5 August 2024 00:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যোগ্যদের পরিবর্তে টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে নিয়োগ করার অভিযোগও উঠেছিল। ওই মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। যদিও শীর্ষ আদালতের নির্দেশে, ওই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ রয়েছে।
ওই মামলাতেই নবম থেকে দ্বাদশের শিক্ষক ও গ্রুপ বি, সি-তে কতজনকে নিয়োগ করা হয়েছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য আদালতে জমা দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
আদালত সূত্রের খবর, পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও অতিরিক্ত নিয়োগ হয়নি। অতিরিক্ত নিয়োগের যে প্রশ্ন উঠেছিল, তারও ব্যাখ্যা দিয়েছে পর্ষদ।
আদালতে জমা দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, সুপারিশ পত্র ও নিয়োগপত্র আলাদা। ফলে এসএসসির পাঠানো সুপারিশ পত্রর সঙ্গে বোর্ডের পাঠানো নিয়োগ পত্রের সংখ্যা মিলবে না। কারণ, এসএসসি যার নাম সুপারিশ করল তিনি হয়তো ততদিনে অন্য চাকরি পয়ে গিয়েছেন। ফলে তাঁকে নিয়োগপত্র পাঠালেও তিনি কাজে যোগ দিলেন না। তখন ওই পদে পরবর্তীজনকে নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়। তাই দুটো সংখ্যার মধ্যে মিল না থাকাটাই স্বাভাবিক।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসির অধীনে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। পৃথক ভাবে মামলা করেছিল রাজ্যের শিক্ষা দফতর, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশের পাশাপাশি সব পক্ষের লিখিত বক্তব্য জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। ওই মামলাতেই সুপ্রিম কোর্টে লিখিত বক্তব্য জানাল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ৬ অগস্ট।