
শেষ আপডেট: 14 December 2022 07:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিন (China) ভারত সীমান্ত সংঘাত ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে দু’দেশের সম্পর্ক। প্রশ্নের মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের ভূমিকাও। এরই মধ্যে লক্ষণীয় হল, চিনা ফৌজ এবারও অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal) তাওয়াং সেক্টরের ইয়াংতসেকে (Yangtse) টার্গেট করেছে।
সূত্রের খবর, অরুণাচলের ওই জায়গাটিতে ভারতীয় সেনার তৎপরতায় সীমান্তে চিনা সেনা পদে পদে প্রতিরোধের মুখে পড়ছে। প্রতিরোধ ভাঙতেই বিগত কয়েক বছর যাবত তারা ওই এলাকাটিকে বারে বারে টার্গেট করেছে।
বছর খানেক আগে দুই দেশের সেনা কর্তারা যখন পূর্ব লাদাখে স্থিতাবস্থা ফেরাতে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তখনও চিনের লালফৌজ ইয়াংটসে হামলা অব্যাহত রাখে এবং ভারতীয় সীমানায় দখল নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
গত বছর অক্টোবরে ইয়াংটসেতে প্রায় একশো চিনা জওয়ান হামলা চালায়। ভারতীয় বাহিনীর প্রবল প্রতিরোধের মুখে সরে যেতে বাধ্য হয় তারা। সমঝোতা বৈঠকের মধ্যে ওই আক্রমণের ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে যায় অরুণাচলের ওই এলাকাটি নিয়ে বেজিংয়ের বিশেষ কোনও পরিকল্পনা আছে।
আসলে তাওয়াং সেক্টরে ভারতীয় সৈন্যদের যথেষ্ট আধিপত্য রয়েছে। ফলে চিনের একের পর এক অভিযান ওই এলাকায় ব্যর্থ হচ্ছে। ভারতীয় সেনার প্রতিরোধ ব্যুহ কিছুতেই ভাঙতে পারছে না পিপলস লিবারেশন আর্মি।
২০১৬ তে প্রায় আড়াইশ চিনা সেনা ওই এলাকায় জড়ো হয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় অতিক্রম করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু এক ইঞ্চি এগোনোর আগেই ভারতীয় সেনা তাদের অভিযান ব্যর্থ করে দেয়।
পশ্চিম, মধ্য থেকে পূর্ব সেক্টর পর্যন্ত প্রসারিত দুই দেশের মধ্যে ৩৪৮৮ কিমি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ২৫টি সংঘর্ষপূর্ণ এলাকার মধ্যে ইয়াংটসে একটি।
১৯৯০ এ দশকের গোড়ায় দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের একাধিক বৈঠকে ঠিক হয় ২০০০ সালের মধ্যে সেক্টরের মানচিত্র বিনিময় শেষ করা হবে। ইয়াংটসের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন থেকে বিবাদ চলছে।
২০০২ সালে বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠীর বৈঠকের সময়, পূর্ব লাদাখ এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা সংক্রান্ত মানচিত্র বিনিময়ের সময় চিনা সেনা বেঁকে বসে। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মানচিত্র বিনিময় করতে অস্বীকার করে। ফলে ওই এলাকাটি নিয়ে চিনের বাড়তি উৎসাহের কারণ এখনও অস্পষ্ট।
লালনের দেহ নিয়ে সিবিআই ক্যাম্পের সামনে বিক্ষোভ! তুলকালাম রামপুরহাটে