দ্য ওয়াল ব্যুরো : ‘ওম শান্তি ওম’ ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোনের (Dipika Padukon) একটি সংলাপ সুপারহিট হয়েছিল—‘এক চুটকি সিন্দুর কা মতলব তুম কেয়া জানো রমেশবাবু?’
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঁথিতে বিজয়া দশমীর সন্ধ্যা শোভন চট্টোপাধ্যায় সিঁদুর পরানোর পর, টানাপড়েনের নয়া ছবিটা এখন এখানে এসেই যেন দাঁড়িয়েছে। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ধর্মপত্নী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, শোভন আইনত তাঁর স্বামী। বৈশাখীকে সিঁদুর পরালেও তা আইনে গ্রাহ্য হবে না। সিঁদুরের মানে ওরা কী জানে!
রত্না ও তাঁর বাবা দুলাল দাস যে ভাবে ক্ষোভের জ্বালামুখ খুলে দিয়েছেন এদিন, তা একপ্রকার প্রত্যাশিতই ছিল। আবার এও জানা ছিল যে, তা এক তরফা থাকবে না। গোলপার্কের বহুতল থেকে পাল্টা জবাবও আসবে। হয়েছেও তাই। রত্নার কথার প্রতিক্রিয়ায় এদিন বৈশাখী বলেছেন, “স্বামীর সঙ্গে এক ঘরে থেকেও যে মহিলা আট বছর ধরে পরকীয়া করেছেন, তাঁর কাছে সিঁদুর নিয়ে জ্ঞান শুনতে হবে?” বৈশাখীর কথায়, শোভন তো বরং অনেক ভাল কাজ করেছেন। সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে নতুন সম্পর্ক করেছেন। তার পর সিঁদুর দিয়েছেন”।
এখানেই থামেননি বৈশাখী। রত্না তাঁকে শোভনের রক্ষিতা বলে এদিন মন্তব্য করেছিলেন। জবাবে হেসে বৈশাখী বলেন, রত্না এখন তো সেই রক্ষিতার বাড়িতেই রয়েছেন। বেহালার বাড়িটি আমি কিনে নিয়েছি। আমার বাড়িতে রত্নাকে দয়া করে থাকতে দিয়েছি। সেই বাড়িতে থেকে আমাকেই গালমন্দ করছেন। কী অকৃতজ্ঞ বলুন দেখি!
রত্নার বাবা দুলাল দাস শোভন-বৈশাখীর কার্যকলাপকে ব্যভিচার বলেছিলেন। বৈশাখী এদিন বলেন, উনি বয়সে বড়। তবে যে ভাষা উনি আমাদের সম্পর্কে বলছেন, সেই স্তরে নেমে তাঁকে জবাব দিতে পারব না। আগে এ সব শুনলে খারাপ লাগত। এখন আর লাগে না। কারণ বুঝতে পারি যে এক জন ট্রাকের খালাসি থেকে উঠে এসেছেন। শিক্ষাদীক্ষা নেই। তাই হয়তো মুখের ভাষা এরকম।