
শেষ আপডেট: 25 January 2024 11:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালি কাণ্ডে তদন্ত নেমে কদিন আগে সল্টলেকে ইডির দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে গেছিল ন্যাজাট থানার পুলিশ। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে মারধর খেয়েছিলেন ইডির অফিসাররা। গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিন অফিসার। সেই ঘটনা নিয়ে সবিস্তার অভিযোগ দায়ের করেছিল ইডি। তার পর ইডির বয়ান রেকর্ড করতে কদিন আগে বসিরহাটের ডিএসপি-র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সিজিওতে যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পুলিশের ক্যামেরাম্যানও।
এবার রেশন দুর্নীতি কাণ্ডের প্রধান তদন্তকারী অফিসার প্রশান্ত চান্ডিলকে জেরা করতে সিজিওতে গেল বনগাঁর পুলিশ। সম্প্রতি রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করে ইডি। সেদিনও ইডি অভিযোগ করেছিল যে, শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতারের সময়ে তাঁর বাড়ির বাইরে বিশাল জমায়েত হয়েছিল। বিকেল চারটে নাগাদ ইডির তরফে বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপারকে ফোন করে বাহিনী পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তা পাঠায়নি পুলিশ। এ ব্যাপারে পুলিশের বিরুদ্ধে চরম অসহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার ব্যাপারে ইডির তদন্তকারী অফিসার প্রশান্ত চান্ডিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সিজিওতে গিয়েছিল বনগাঁর পুলিশ। মূলত তাঁর বয়ান রেকর্ড করা ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য।
সিজিও সূত্রে বলা হচ্ছে, এই সব জিজ্ঞাসাবাদ ও বয়ান রেকর্ড নিয়ে তাঁরা খুব একটা আশাবাদী নন। তাঁদের মতে, সন্দেশখালিতে হামলা ও বনগাঁর পরিস্থিতি নিয়ে কোনও পুলিশি তদন্ত শেষমেশ হবে না। শুধু কিছু ফর্মালিটি সেরে রাখা হচ্ছে।
এদিকে সন্দেশখালি কাণ্ডের তদন্তের জন্য কলকাতা হাইকোর্ট যে সিট গঠন করে দিয়েছিল, ইডি তা নিয়ে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, রাজ্য পুলিশ ও সিবিআইয়ের যৌথ তদন্তের প্রয়োজন নেই। কারণ তাতে তদন্তই এগোবে না। রাজ্য পুলিশের থেকে অতীতেও কোনও সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। তাই শুধু সিবিআইকেই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হোক। ওই মামলারও আজকালের মধ্যেই শুনানি হতে পারে উচ্চ আদালতে।