বকখালির হোটেল ব্যবসায়ীদের একাংশ জানিয়েছেন, সাধারণত বর্ষাকালে তেমন ভিড় থাকে না। কিন্তু এই বছর রথের ছুটিতে ছবিটা পাল্টে গিয়েছে।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 23 June 2025 14:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতে মাত্র তিনদিন। আগামী ২৭ জুন অর্থাৎ শুক্রবার রথযাত্রা (Rath holiday)। পরের দিন শনি ও রবিবার থাকায় টানা তিনদিনের ছুটি। ফলে সমুদ্র এবং জগন্নাথ মন্দির দুইয়ের সংস্পর্শে দিঘার (Digha) হোটেলগুলিতে ঠাঁয় নাই ঠাঁয় নাই অবস্থা। অগত্যা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে বকখালিতে (Bakkhali)।
বকখালির হোটেল ব্যবসায়ীদের একাংশ জানিয়েছেন, সাধারণত বর্ষাকালে তেমন ভিড় থাকে না। কিন্তু এই বছর রথের ছুটিতে ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ শতাংশ ঘর বুকিং হয়ে গিয়েছে। প্রচুর ফোনকল আসছে, ঘর ফাঁকা আছে কি না জানতে চাইছেন পর্যটকেরা।
গত ৩০ এপ্রিল দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই পর্যটন শহরে উপচে পড়া ভিড়। রথের সময় দিঘায় পর্যটকদের সেই ভিড় কয়েক লক্ষে পৌঁছবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে নিরাপত্তার দিকে নজর দিতে প্রশাসনের তরফে যেমন সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে তেমনই রথের জন্য অনেকেই আগে থেকে দিঘার হোটেলে বুকিং করে রেখেছেন। আবার হাতে গোনা কয়েকটি হোটেল রুম থাকলেও ভাড়া রীতিমতো আকাশছোঁয়া। ফলে বাজেটের মধ্যে থাকা ঘর খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দিঘা এড়িয়ে বকখালির দিকে ঝুঁকছেন অনেক পর্যটক।
তবে বকখালির হোটেল মালিক ও ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ, দিঘাকে উন্নতির শীর্ষে তুলে ধরতে যে পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার ছিটেফোঁটাও বকখালির ভাগ্যে জোটেনি। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বকখালিকেও যাতে উন্নত করা যায়, সেই দাবিও তুলেছেন তাঁরা।