
শেষ আপডেট: 9 January 2024 18:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলে গেলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নক্ষত্র রশিদ খান। মাস খানেক ধরেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর।
গত নভেম্বর মাস থেকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। খানের আগে প্রস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। ডিসেম্বর মাসে তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তারপর কয়েকদিন যমে মানুষে লড়াই চলে। তবে চিকিৎসকদের চিকিৎসায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার ভোরে সঙ্গীতশিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তড়িঘড়ি ভেন্টিলেশনে স্থানান্তরিত করা হয়। এদিন দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিট নাগাদ সেখানেই ৫৬ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন রশিদ খান।
উস্তাদ রশিদ খানের জন্ম উত্তরপ্রদেশের বাদাউনে। ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। সঙ্গীত পরিবারেই বেড়ে ওঠা রশিদের। দাদু উস্তাদ নিশার হুসেনের কাছে গান শেখা শুরু তাঁর। খুব ছোটবেলাতেই কলকাতায় চলে আসেন তিনি।
সম্পর্কে উস্তাদ গুলাম মুস্তাফা খানের ভাইপো ছিলেন রশিদ। পরে কাকার হাত ধরেই মুম্বইয়ে পাড়ি দেন রশিদ। সেখানে গানের তালিম নেন তিনি। এরপর উস্তাদ নিসার হুসেন খানের কাছে গানের তালিম শুরু করেন রশিদ। সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ সম্মান পেয়েছেন তিনি।
ইনায়েত হুসেন খাঁ-সাহিব যে ঘরানার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই রামপুর-সাসওয়ান ঘরানার শিল্পী রশিদ খান৷ মূলত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত গাইলেও ফিউশন বা বলিউড এবং টলিউডের ছবিতে বহু জনপ্রিয় গানও গেয়েছেন শিল্পী। 'যব উই মেট', 'কিসনা', 'হাম দিল দে চুকে সনম', 'মাই নেম ইজ খান', 'রাজ ৩'-র মতো বলিউড ছবির পাশাপাশি 'মিতিন মাসি', 'বাপি বাড়ি যা', 'কাদম্বরী'-র মতো বাংলা ছবিতেও রয়েছে তাঁর গান।