
সিভি আনন্দ বোস
শেষ আপডেট: 19 November 2024 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়েছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। গত শনিবার থেকেই সেখানকার পরিস্থিতি খারাপ। বিজেপির আইনজীবী নেতা কৌস্তুভ চক্রবর্তী এই অশান্তির ঘটনায় ইতিমধ্যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন কলকাতা হাইকোর্টে। এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এবার রাজ্যের ওপর চাপ বাড়িয়ে বেলডাঙার ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।
অশান্তি রুখতে মঙ্গলবার পর্যন্ত গোটা মুর্শিদাবাদ জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে অন্তত ৮ জনকে ইতিমধ্যেই আদালতে পেশ করা হয়েছিল। ধৃতদের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল সেই প্রশ্নের উত্তর চান রাজ্যপাল। সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্যে থেকে এই ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া চেয়েছে রাজভবন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজভবনের তরফে বলা হয়েছে, বেলডাঙায় গুরুতর আইনশৃঙ্খলার সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এর ভিত্তিতে রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্টে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে আরও অবনতির দিকে না যায়, তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।
রাজভবনের কর্মীদের অবগতির জন্য:
— Raj Bhavan Media Cell (@BengalGovernor) November 18, 2024
মাননীয় রাজ্যপাল মহাশয়কে অবগত করা হয়েছে যে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় ১৬ই নভেম্বর, ২০২৪-এর রাত থেকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে গুরুতর আইনশৃঙ্খলার সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিনিধিত্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে লক্ষ্য করে…
পুলিশ জানিয়েছে, বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৮ জনকে ইতিমধ্যেই আদালতে পেশ করা হয়েছিল। ধৃতদের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত শনিবার দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে বেলডাঙায় ভাঙচুর চালানো হয় একাধিক বাড়ি এবং দোকানে। ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। বিক্ষোভের জেরে শিয়ালদহ-লালগোলা শাখায় ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়।