
শেষ আপডেট: 27 July 2018 11:59
যদিও, বিক্রেতাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। কর্তৃপক্ষের পালটা অভিযোগ, তাদের কাছে থাকা তালিকা অনুযায়ী সল্টলেক সেক্টর ফাইভের ওই অংশে ৭৫০টি দোকানকে ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু বেআইনিভাবে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার দোকান গজিয়ে উঠেছে সেখানে। তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবলমাত্র যে সমস্ত রাস্তা দিয়ে বাস চলাচল করে সেখানেই দোকান উচ্ছেদ করা হবে। অন্য কোথাও হবে না। কারণ দোকানের ফলে রাস্তা ছোট হয়ে যাচ্ছে এবং যথাযথ নিয়ম মেনে দোকান চালাচ্ছেন না বিক্রেতারা।
প্রশাসন ও হকারদের এই দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে ভুগতে হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করতে আসা প্রায় দেড় থেকে দু'লাখ কর্মীদের। এ ছাড়াও সমস্যায় পড়েছেন সেক্টর ফাইভ সংলগ্ন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়াদের। সকাল থেকে সমস্ত দোকান বন্ধ থাকায় খাবারের কষ্টে ভুগতে হচ্ছে তাঁদের। বিশেষ করে অসুবিধার মুখে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তবর্গের কর্মীদের একটা বিরাট অংশ। এমনকী, অনলাইনে খাবার অর্ডার দিলে সেই ডেলিভারি বয়কে এলাকায় ঢুকতে দিচ্ছেন না হকাররা, এমন অভিযোগও উঠে আসছে।
তবে এই প্রথম নয়, যুব বিশ্বকাপ শুরুর আগেও ঠিক একইভাবে হকার ও ঝুপড়িবাসীদের উচ্ছেদ করা হয় এয়ারপোর্ট থেকে সল্টলেক, ভিআইপি রোড ও বাইপাসের দু'ধার, বিধাননগর পৌরনিগম এলাকায়। এক ধাক্কায় বাস্তুহারা ও কর্মহারা হন হাজার হাজার বস্তিবাসী, হকার ও শ্রমজীবী মানুষ। ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবাদ। সোচ্চার হয় এপিডিআর-সহ পঞ্চাশের বেশি সংগঠন নিয়ে গঠিত 'উচ্ছেদ বিরোধী যুক্তমঞ্চ'।
তবে পরে পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, বৈধ দোকানদারদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে। কিন্তু যারা একাধিক দোকান চালিয়ে উপার্জন করছে, তাদের রাখা হবে না।