.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 4 March 2025 14:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই কি চরম পথ বেছে নিলেন কসবার দম্পতি? নেপথ্যে কারা? কী ধরনের মানসিক নির্যাতন চালানো হত?
কসবা থানা এলাকার রথতলার পূর্বপল্লী থেকে সন্তান-সহ দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে সোমনাথ রায় (৪০), তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা (৩৫) এবং আড়াই বছরের পুত্র রুদ্রনীলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছে। যার ভিত্তিতে সম্পত্তি বিবাদের বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে।
সূত্রের খবর, স্থানীয়দের একাংশও পুলিশকে জানিয়েছেন, সম্পত্তি নিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে সোমনাথের বির্তক বিবাদ চলছিল দীর্ঘদিন ধরেই। এ বিষয়ে সুইসাইড নোটে থাকা দু'জনকে জেরা করলেই রহস্যর সমাধান হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, ঘরের মধ্যে থেকে তিনজনেরই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে সোমনাথের সঙ্গে তাঁর আড়াই বছরের পুত্র রুদ্রনীলের দেহটি বাঁধা ছিল।
সোমনাথ পেশায় অটোচালক। সুইসাইড নোট থেকে পুলিশের ধারণা, সম্পত্তিগত বিবাদ থেকে মানসিক চাপ তৈরি করা হয়েছিল ওই দম্পতির ওপরে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে সোমনাথের আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।
বস্তুত, শহরের একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা ঘিরে জনমানসে তীব্র শোরগোলও তৈরি হয়েছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্যাংরা থেকে উদ্ধার হয় দুই বধূ ও কিশোরী মেয়ের দেহ। ওই ঘটনায় পরিবারেরই সদস্য ছোট ভাই প্রসূন দে কে সোমবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার কয়েকদিন পরেই মধ্যমগ্রাম থেকে উদ্ধার হয় মা, মেয়ের দেহ। ওই ঘটনার অব্যহতি পরে বেহালা থেকে বাবা ও মেয়ের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এবার কসবা।