
শেষ আপডেট: 1 April 2023 07:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উদ্দেশ্য ছিল ছিনতাই করা। তার জন্যই ৫০ বছর বয়সি অধ্যাপকের জলের গ্লাসে ঘুমের ওষুধ (Sleeping Pills) মিশিয়ে দিয়েছিল সে। জানত না, ওই অধ্যাপক আগে মদ্যপান করেছিলেন। তারপরেই ঘুমের ওষুধ মেশানো জল খাওয়ায় হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মৃত্যু হল ওই অধ্যাপকের (professor)। ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগে ২২ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মিরাটে (Meerut)। মৃত অধ্যাপকের নাম রামকুমার শর্মা। তিনি আদতে রাজস্থানের আলোয়ারের বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে থাকতেন মিরাটে। সেখানকার একটি বেসরকারি কলেজে অধ্যাপনা করতেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী নিবেদিতা শর্মা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করার পর ওই অধ্যাপকের সন্ধানে তল্লাশি চালাতে শুরু করে পুলিশ। তারপরেই গত ১২ মার্চ কলেজ থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে নিজের গাড়ির ভিতরে ওই অধ্যাপকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ কলেজ এবং ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানতে পারে, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত জুনায়েদ নামে এক যুবকের সঙ্গে ছিলেন রামকুমার শর্মা। কল রেকর্ড খতিয়ে দেখে জানা যায়, ওই যুবকের সঙ্গে আগে বিশেষ কথা হয়নি রামকুমার শর্মার। এরপরেই জুনায়েদকে আটক করে জেরা করতে শুরু করেন তদন্তকারীরা। তাতেই উঠে আসে আসল ঘটনা।
জুনায়েদ জানায়, তার সঙ্গে সদ্য আলাপ হয়েছিল ওই অধ্যাপকের। সে নিজে মদে আসক্ত। তার কাছে মদ খাওয়ার টাকা না থাকায় রামকুমার শর্মার থেকে টাকা ছিনতাই করার জন্যই তাঁর সঙ্গে আলাপ জমিয়েছিল সে। ঘটনার দিন তারা একসঙ্গে মদ্যপান করে। এরপর ওই অধ্যাপকের জলের গ্লাসে তিনটি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় অভিযুক্ত। যেহেতু রাম কুমার শর্মা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন, তার পরেই ঘুমের ওষুধ খাওয়ার ফলে তা রক্তে মিশ্রিত অ্যালকোহলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এর ফলে তাঁর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া অত্যন্ত ক্ষীন হয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত জানায়, ওই অধ্যাপকের পকেট থেকে তাঁর মোবাইলটি এবং ৪৫০ টাকা ছিনতাই করে পালিয়েছিল সে।
ঘটনায় অভিযুক্ত জুনায়েদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
‘প্রেম করবে আমার সঙ্গে?’ হোয়াটসঅ্যাপে জবাব দিতে গিয়েই বিপদে পড়লেন যুবক, কী হল তারপর