
আরজি কর ঘটনায় ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়
শেষ আপডেট: 5 November 2024 16:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ১৫ অক্টোবর আরজি কর মামলার শুনানিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের কাছে একাধিক প্রশ্ন জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। সে ব্যাপারে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছে রাজ্য।
হলফনামায় জানানো হয়েছে, রাজ্যের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সিভিক পুলিশের সংখ্যা ৪ হাজার ৫২২ জন। একইভাবে রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৩৯ জন সিভিক মোতায়েন রয়েছে। সঙ্গে এও স্পষ্ট করা হয়েছে সিভিক নিয়োগে রয়েছে কমিটি। কমিশনারেট এলাকায় সেই কমিটির প্রধান পুলিশ কমিশনার। জেলাস্তরে কমিটির চেয়ারম্যান পুলিশ সুপার। পাশাপাশি রাজ্য স্তরে ডিজি, আইজিপি-কে শীর্ষে রেখে অ্যাপেক্স কমিটিও আছে।
ঘটনা হল, রাজ্যের জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এটা পরিষ্কার সব সিভিকদের মতোই আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়কেও নিয়োগ করেছিলেন খোদ পুলিশ সুপারই।
আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায় কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার। শুধু আরজি কর নয়, অতীতেও একাধিক ঘটনায় বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের একাংশের বিরুদ্ধে।
হলফনামা জমা দিয়ে খানিকটা ফ্যাসাদেই রাজ্য। কারণ চিকিৎসক-সহ নাগরিক সমাজের একাংশ প্রশ্ন তুলছে কমিটির ছাঁকনি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সঞ্জয়দের মতো সিভিক ভলান্টিয়রদের নিয়োগ হয়?
নিয়ম অনুযায়ী, সিভিক ভলান্টিয়রদের স্থানীয় থানার বাসিন্দা হতেই হবে। আইনশৃঙ্খলা জনিত কোনও কাজে সিভিকদের ব্যবহার করা হয় না। ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকা যায় না। অথচ ধৃত সিভিকের নামে আগে থেকেই একাধিক অভিযোগ ছিল।