
গত ১৭ জুলাই সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়েছে
শেষ আপডেট: 25 July 2024 12:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুলতলির সাদ্দাম সর্দারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল অস্ত্র। সাদ্দামকে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর অস্ত্রের হদিশ মেলে। এরপরই তাঁর পয়তারহাটের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে সাদ্দামের বাড়ি থেকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র ছাড়াও কয়েকটি ধাতব মূর্তি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
দীর্ঘদিন ধরে কুলতলির জালাবেরিয়া-২ পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সাদ্দাম সর্দারের বিরুদ্ধে নকল সোনা বিক্রি থেকে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গত ১৭ জুলাই একটি আলাধর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১৫ জুলাই সাদ্দামের বাড়িতে অভিযানে গিয়ে তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ। এরপরই স্থানীয়রা মহিলারা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়। সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে নিশানা করে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ ওঠে। লি কারও গায়ে না লাগলেও স্থানীয়দের মারধরে তিন জন পুলিশ অফিসার জখম হয়েছিলেন বলে দাবি পুলিশের। এই সুযোগে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যায় সাদ্দাম এবং সাইরুল।
এরপরই সাদ্দামের বাড়িতে টানা তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। সেই সময়ে অভিযুক্তের বাড়ির খাটের নিচে একটি সুড়ঙ্গের হদিশ মেলে। পুলিশ জানতে পারে যে সেখান দিয়েই সাদ্দাম পালিয়ে যায়। পুলিশিকে সাদ্দাম জানিয়েছেন, মাগুর মাছ চাষ করার ভাবনায় খাটের নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন। সাদ্দামের বাড়ির পাশেই রয়েছে খাল। খালের মধ্য দিয়ে সুড়ঙ্গ মিশেছে ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সুন্দরবনের মাতলা নদীতে।সেই খালের জলের ঢেউকে কাজে লাগিয়ে ওই সুড়ঙ্গের মুখে জাল আটকে মাগুর মাছ চাষের ভাবনাচিন্তা ছিল বলেই দাবি সাদ্দাম সর্দারের।
কুলতলির সাদ্দাম সর্দারকে নিয়ে তদন্তকারীদের হাতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। রহস্য দানা বেঁধেছে সাদ্দামের বাড়ির সুড়ঙ্গ নিয়ে। কুলতলিরকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মূল পাণ্ডা সাদ্দাম সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। স্বরাষ্ট্রদফতরের কাছ থেকে সাদ্দাম ও তাঁর বাড়ির সুড়ঙ্গ প্রসঙ্গে একাধিক বিষয় নিয়ে জানতে চেয়েছে রাজভবন।