নওসাদের আহত হওয়া ও গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে ফের বাড়ল পারদ।
.jpeg.webp)
নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 20 August 2025 16:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুকে ব্যথা (Chest Pain) নিয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (Kolkata Medical College) ভর্তি আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি (Nawsad Siddiqui)। বুধবার ধর্মতলায় ওয়াকফ আইনের সংশোধনের বিরুদ্ধে আইএসএফ-এর ধর্না চলাকালীন আচমকাই উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় এক সিভিল পোশাকে থাকা পুলিশকর্মী বিধায়কের বুকে ঘুষি মারেন। সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মূহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ধর্মতলা চত্বর। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইএসএফ কর্মী-সমর্থকেরা। বিক্ষোভে উত্তাল হয় গোটা এলাকা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা হলে পুলিশ মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী।
ঘটনার জেরে আটক করা হয় নওসাদ সহ বেশ কয়েকজন আইএসএফ কর্মীকে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে। পরে বিধায়কের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, হাসপাতালে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।
ঘটনার পর সরব হন স্বয়ং বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, ‘‘একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হল। এভাবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই ফ্যাসিবাদী আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।’’
এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। আইএসএফ নেতৃত্ব ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। তাঁদের অভিযোগ, “প্রশাসনের নির্দেশেই পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালানো হয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন করতেই এই কায়দা।”
প্রসঙ্গত, ওয়াকফ আইনের সংশোধনের প্রতিবাদে এদিন সকাল থেকেই ধর্মতলায় ধর্না ও বিক্ষোভ কর্মসূচি নেয় আইএসএফ। সব কিছু শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। কিন্তু দুপুর গড়াতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নওসাদের আহত হওয়া ও গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে ফের বাড়ল পারদ।