মেহেবুব বলেন, "আন্দোলন করে আমরা কোনও অন্যায় করিনি। পুলিশ ডেকেছে নিশ্চয়ই যাব। কিন্তু আমাদের চাকরি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলনের পথ থেকে সরছি না।"
.jpeg.webp)
মেহেবুব মণ্ডল।
শেষ আপডেট: 3 June 2025 15:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্দোলনের নামে সল্টলেকে বিকাশ ভবনে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট ও সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চাকরিহারা শিক্ষক (SSC Deprived Teacher) মেহবুব মণ্ডলকে ফের নোটিস পাঠাল পুলিশ। এবারে নোটিস পাঠানো হয়েছে মেহেবুবের বর্ধমানের গ্রামের বাড়িতে।
বর্ধমানের গ্রামের বাড়িতে পুলিশের পাঠানো সেই নোটিসের ছবি প্রকাশ করে মেহেবুব বলেন, "মা বাবা বোনের বাড়িতে ছিল। ৬ দিন পর আজ বর্ধমানের বাড়িতে ফিরে। দেখেন দেওয়ালে একটা নোটিস। ওরা সেই নোটিসের ছবি তুলে আমাকে পাঠায়। দেখলাম আজ তিনটের সময় বিধান নগর থানা আমাকে তলব করেছে।"
মেহেবুব বলেন, "আমি অসুস্থ। তবুও ফোন করে পুলিশকে জানিয়েছি, একটু আগেই নোটিসের কথা জানতে পেরেছি। তাই যেতে একটু দেরি হবে।" বিকেল সাড়ে চারটের মধ্যে তিনি বিধাননগর থানায় পৌঁছে যাবেন বলেও পুলিশকে জানিয়েছেন।
নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৬ সালের গোটা প্যালেনটাই বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। যার জেরে চাকরিহারা হয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। যোগ্যদের তালিকা প্রকাশের দাবিতে মে মাসের শুরুতে সল্টলেকে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন চাকরিহারারা। এমনকী শিক্ষামন্ত্রীর দেখা চেয়ে বিকাশ ভবনের কর্মীদের আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। পাল্টা হিসেবে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠি চার্জ করে আন্দোলন হঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
পুলিশের তরফে অবশ্য আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধেই সরকারি কাজে বাধা দান ও সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছিল। ওই ঘটনাতে আগেই মেহেবুব-সহ পাঁচ চাকরিহারা শিক্ষককে তলব করেছিল পুলিশ। ফের মেহেবুবকে পুলিশ তলব করায় চাকরিহারাদের মধ্যে নতুন করে শোরগোল তৈরি হযেছে। মেহেবুব বলেন, "আন্দোলন করে আমরা কোনও অন্যায় করিনি। পুলিশ ডেকেছে নিশ্চয়ই যাব। কিন্তু আমাদের চাকরি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলনের পথ থেকে সরছি না।"