Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

আমার স্বপ্নের সোনার বাংলা, রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠিতে উন্নয়নের হাতছানি প্রধানমন্ত্রী মোদীর

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বিকল্প উন্নয়নের মডেলের ছবি দেখাতে চেয়ে সোমবার রাজ্যের মানুষের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি (open letter) লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। 

আমার স্বপ্নের সোনার বাংলা, রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠিতে উন্নয়নের হাতছানি প্রধানমন্ত্রী মোদীর

বঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 23 February 2026 13:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বিকল্প উন্নয়নের মডেলের ছবি দেখাতে চেয়ে সোমবার রাজ্যের মানুষের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি (open letter) লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। চিঠিতে যেমন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চরম অসহযোগিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন তিনি, তেমনই রাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং ‘বিকশিত বাংলা’ গঠনের রূপরেখা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এদিন চিঠির শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, আগামী দিনে কোন পথে চলবে বাংলা—সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে রাজ্য। বাকি চিঠিটা এই প্রেক্ষাপটেই লেখা। তাৎপর্যপূর্ণ হল, সেই চিঠিতে কোথাও তৃণমূলের নাম নেই, নাম নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। বরং কৌশলগত ভাবে গোটা চিঠির পরতে পরতে বাংলার হতাশাজনক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর বোঝাতে চেয়েছেন, বাংলা কী হতে পারত, কিন্তু এখন কী জীর্ণ দশায় রয়েছে।

তাঁর কথায়, “স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই পশ্চিমবঙ্গই ছিল দেশের অর্থনীতির দিশারী, শিল্পায়নের অগ্রদূত। অথচ আজ পশ্চিমবঙ্গের এই রুগণ জরাজীর্ণ তদশা দেখে আমার হৃদয় ব্যথিত হয়। গত ছয় দশকের অপশাসন ও তোষণমূলক রাজনীতির কারণে পশ্চিমবঙ্গের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা বর্ণনাতীত।” ভোট ব্যাঙ্কের সংকীর্ণ রাজনীতি ও হিংসা এবং নৈরাজ্যে জর্জরিত বাংলা।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ লক্ষ মানুষ সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। জনধন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা, স্বনির্ভর ভারত অভিযান—এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে গরিব, মধ্যবিত্ত, কৃষক, যুবক ও মহিলাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্র বিপুল বিনিয়োগ করেছে—রেল, সড়ক, বন্দর, বিদ্যুৎ ও ডিজিটাল পরিকাঠামোয় কাজ এগিয়েছে দ্রুতগতিতে। তাঁর বক্তব্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যের সম্ভাবনা আরও অনেক বেশি, যদি উন্নয়নমুখী পরিবেশ তৈরি করা যায়।

চিঠির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে রয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, CAA মানবিক আইন, যার মাধ্যমে নির্যাতিত শরণার্থীরা সম্মানের সঙ্গে ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। বাংলার সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বিগত বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের অনেক সুযোগ হারিয়েছে। তাঁর মতে, সংঘাত ও বাধার রাজনীতির বদলে উন্নয়ন ও বিশ্বাসের রাজনীতি প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই তিনি ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার আহ্বান জানান।

চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে আবেদন জানান—উন্নয়ন, সুশাসন ও স্বচ্ছতার পথে এগিয়ে আসার জন্য। ২০২৬ সালের লক্ষ্য সামনে রেখে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে কাজ করলে পশ্চিমবঙ্গ আবার দেশের অগ্রগতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।


```