
শেষ আপডেট: 14 February 2019 18:30
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে অন্তত ৩৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক ঠাসা একটি স্করপিও সেনা কনভয়ের দু'টি বাসে ধাক্কা মারে। প্রবল বিস্ফোরণের পরে একটি বাসে আগু ধরে যায়। বিস্ফোরণের পর আধাসেনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ও গুলি চালায় জঙ্গিরা। ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় অন্তত ৪৪ জন জওয়ানের দেহ। ঘটনার দায় নেয় পাকিস্তানি মদতে পুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। ঘটনার পরই নিন্দার ঝড় ওঠে দেশ জুড়ে। সেনা মৃত্যুর প্রতিবাদে কঠোর প্রত্যাঘাত নেওয়া হবে বলে আগাম জানিয়ে দেয় সাউথ ব্লক। এ দিনই মন্ত্রিসভার নিরপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠকের পর সোজা ঝাঁসিতে চলে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর সেখানেই খোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, “পুলওয়ামার ঘটনা নিয়ে দেশের ১৩০ কোটি মানুষের মনে আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আমি অনুধাবন করতে পারছি। চিন্তা নেই। কবে, কোথায়, কীভাবে প্রত্যাঘাত হবে তার অনুমতি দিয়ে দিয়েছি সেনা বাহিনীকে।”
এ দিন সকালে নিহত সিআরপিএফ জওয়ানদের গান স্যালুট দেওয়া হয় বদগামে। সেখানে শহিদ সেনাদের কফিন কাঁধে বইতে দেখা যায় রাজনাথকে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবার সিং-ও কাঁধ দেন রাজনাথের সঙ্গে।
আরও পড়ুন: