
শেষ আপডেট: 29 July 2022 09:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৮ জুলাই শুরুর দিন থেকেই সংসদের (Parliament) বর্ষাকালীন অধিবেশন গোলমালের জেরে বারে বারে স্থগিত হয়েছে (Postponed)। দশম দিনে এসে দু’দিনের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হল রাজ্যসভা ও লোকসভার অধিবেশন।
আজ সংসদের দুই কক্ষেই বিরোধীরা (Opposition) শুরু থেকেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা চেয়ে শোরগোল শুরু করে। সরকারের কাছ থেকে স্পষ্ট আশ্বাস না মেলায় বিরোধীরা সভার কাজে বাধা সৃষ্টি করলে দুই কক্ষই ১ অগাস্ট বেলা ১১’টা পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
আজও সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিজেপি কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর রাষ্ট্রপত্নী মন্তব্য নিয়ে সরব হয়। রাজ্যসভায় অধীরের হয়ে মুখ খোলেন কংগ্রেসের দলনেতা মল্লিকার্জন খাড়গে। তিনি বলেন, বিজেপি জোর করে অধীর চৌধুরীর কথাকে ইস্যু করতে চাইছে। মুখ ফসকে বলে ফেলা শব্দটির জন্য ভুল স্বীকার করার পরও বিজেপি জলঘোলা করছে। অন্যদিকে, সরকারের তরফে আজ আসরে নামেন আইনমন্ত্রী কিরেন রিজেজু। তিনি বলেন, অধীরকে ক্ষমা চাইতেই হবে। এটা রাষ্ট্রের অবমাননার সমান। অধীর এদিন অভিযোগ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি সংসদে সরব হচ্ছে। অথচ তাঁকে সংসদে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
স্মৃতি-কন্যা কাণ্ডে কংগ্রেস নেতাদের টুইট মুছতে বলল আদালত, পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন জয়রাম
এদিকে, সংসদ চত্বরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিরোধী সাংসদদের ধর্না আজও চলছে। আজ অধিবেশন স্থগিত ঘোষণার পর কংগ্রেসের দুই কক্ষের সদস্যরাও গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জড়ো হন। তাঁদের বক্তব্য, জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। সরকার তা নিয়ে আলোচনার সুযোগ না গিয়ে অধীর চৌধুরীর মুখ ফসকে বলে ফেলা কথাকে হাতিয়ার করে অধিবেশন স্থগিত করে দিল। প্রসঙ্গত, বহিষ্কৃত বিরোধী সাংসদেরা আগে থেকেই গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসে আছেন। রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে মোট ২৭জন বিরোধী সাংসদকে অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৩ জন রাজ্যসভার সদস্য। রাজ্যসভার ইতিহাসে অতীতে কোনও অধিবেশনে এতজন সাংসদের সাসপেন্ড হওয়ার নজির নেই।