
শেষ আপডেট: 27 December 2023 16:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: মেমারিতে শাসকের গোষ্ঠী কোন্দল ফের প্রকাশ্যে। খোদ প্রধানের বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ করলেন শাসকদলেরই পঞ্চায়েত সদস্যা। এই ঘটনায় মঙ্গলবার থেকে শোরগোল পড়েছে মেমারির সাতগেছিয়া ১ নম্বর পঞ্চায়েত কার্যালয়ে।
আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্যা শম্পা বেরার অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধান সুশীলা কিস্কু তাদের অন্ধকারে রেখেই নিজের খুশি মতো কাজ করছেন। জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের উদ্যোগে পানীয় জল প্রকল্পের জন্য প্রস্তাব পাশ করা হয়েছে অথচ পঞ্চায়েত সদস্যদের কিছু জানানো হয়নি। তিনি বলেন, “এখানেই শেষ নয়। আমাদের পঞ্চায়েত এলাকায় দুয়ারে সরকার প্রকল্পের শিবির করা হচ্ছে। অথচ সদস্যরা পুরোপুরি অন্ধকারে। তারা জানেনই না দুয়ারে সরকার প্রকল্পের শিবির হচ্ছে।”
এইসব বিষয় নিয়েই কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্য মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানের ঘরে গিয়েছিলেন। কেন তাদের অন্ধকারে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে প্রধান উত্তর দেননি বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁরা জানান, সদস্যদের একাংশ প্রধানের আচরণের প্রতিবাদ জানালে পঞ্চায়েত প্রধান সুশীলা কিস্কু পঞ্চায়েত সদস্যা শম্পা বেরার হাত মুচড়ে দেন।
সদস্যাদের একাংশের পাশাপাশি প্রধানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন উপপ্রধান গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, “যেটুকু শুনেছি তাতে শম্পা বেরা-সহ কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্য প্রধানের কাছে পিএইচইর প্রস্তাব ও দুয়ারে সরকার প্রকল্পের শিবির নিয়ে জানতে গেলে বাদানুবাদ হয়। সেই সময় প্রধান সদস্যা শম্পা বেরাকে মারধর করেন।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন সুশীলা কিস্কু। উল্টে তিনি দাবি করেন, পঞ্চায়েত সদস্যা শম্পা বেরা ও নন্দিনী হাজরা তাঁর হাত মুচড়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি আদিবাসী বলেই এইভাবে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমাকে হেয় করা হচ্ছে।”