
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 25 April 2025 13:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার সকাল। আচমকা কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গের আকাশ (North Bengal)। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পর পর উড়ে গেল দুটি রাফাল যুদ্ধবিমান (Rafale Fighter Jet)। যা নিয়ে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরবঙ্গের জনমানসে।
কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ করছে ভারত। ভিসা বাতিল, ৬০ বছরেরও পুরনো সিন্ধু জলচুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাদের ভারত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওযা হয়েছে ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তানও।
পাকিস্তান ইতিমধ্যেই ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য আকাশসীমা বন্ধ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত এবং ইন্দাস জলচুক্তি বাতিলকে ‘যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
এরই মধ্যে শুক্রবার সকাল হতেই ভারত-পাক নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাগুলির খবর আসতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর একাধিক স্থানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (Pak occupied Kashmir) দিক থেকে গুলিবর্ষণ শুরু হয়। সব মিলিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি।
এসবের মধ্যে এদিন সকাল থেকে হঠাৎই উত্তরবঙ্গের আকাশে যুদ্ধ বিমানের উপস্থিতি ঘিরে 'প্রত্যাঘাত' নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গের জনমানসে চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও ভারতীয় বায়ুসেনা সূত্রের খবর, এটি রুটিন সামরিক মহড়া, এর সঙ্গে ‘প্রত্যাঘাতের’ কোনও সম্পর্ক নেই।
সূত্রের খবর, বায়ুসেনার তরফে এই বৃহৎ সামরিক মহড়ার নামকরণ করা হয়েছে ‘আক্রমণ’। নামেই পরিষ্কার এই মহড়ার উদ্দেশ্য ও বিধেয় কী!
দেশের সেন্ট্রাল রিজিওনে শুরু হওয়া এই মহড়ার অংশ নিয়েছে বায়ুসেনার তুখোর যুদ্ধবিমান বহর, যার নেতৃত্বে রয়েছে রাফাল ও সুখোই-৩০ এমকেআই স্কোয়াড্রন।