দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামীকাল সংসদে সাধারণ বাজেট পেশ হওয়ার আগে সোমবার যে আর্থিক সমীক্ষা (economic survey) সংসদে পেশ হল, তাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। দেশবাসী (people) কেমন আছেন, তা বোঝার একটি মাপকাঠিও এটা। তা হল, ভারতে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে জীবনবিমা পলিসি (life insurance policy)আছে মাত্র তিনজনের! যদিও ২০১৯ সালে সংখ্যাটা ছিল প্রতি ১০০-য় ২.৮২। অর্থাত্ সেই মাপকাঠিতে কিছুটা হলেও পলিসি বেড়েছে। আর জীবনবিমা কভারেজ বহির্ভূত পলিসি সহ কিউমুলেটিভ বিমা কভারেজের পরিমাণ ৪.২। সরকারি পরিসংখ্যান অনুুসারে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে নন-লাইফ ইনসিওরেন্স পলিসি আছে মাত্র ১ জনের। অর্থাত্ হতাশাজনক চিত্র। যদিও তা আগের তুলনায় ভাল। কেননা ২০১১ সালে নন-লাইফ ইনসিওরেন্স পলিসি ছিল ০.৭০।
২০১৪ থেকে দেশে জীবনবিমার বৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৪য় তা ছিল ২.৬। যদিও ২০১১য় ছিল অনেক বেশি ৩.৪। অর্থাত ২০২১ সালেও এখনও জীবনবিমার ক্ষেত্রে দেশ পিছিয়েই আছে।
আর্থিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ভারত, বিমা ব্য়বসার অংশ ২০০১ এ ছিল ২.৭১ শতাংশ, তা বাড়তে বাড়তে ২০২০তে হয়েছে ৪.২ শতাংশ। ২০২০র হিসাবে, ভারতে জীবন বিমার অংশীদারী ৩.২ শতাংশ, ননলাইফ ইনসিওরেন্সের ১ শতাংশ। ভারতে জীবন বিমার ক্ষেত্রে বিমার ভাগ আন্তর্জাতিক গড়ের প্রায় সমান, তবে আমরা নন-লাইফ ইনসিওরেন্সে পিছিয়ে রয়েছি।২০২০তে সারা দুনিয়ায় বিমার ভাগ জীবন বিমার ক্ষেত্রে ছিল ৩.৩ শতাংশ, নন-লাইফ সেগমেন্টে ৪.১ শতাংশ।
২০২১এর বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বিমা কোম্পানিকে বেসরকারি হাতে তুলে দেবে সরকার। যদিও সেই ঘোষণা কার্যকর হয়নি। তবে সরকার এলআইসি আইপিও ছাড়ার প্ল্যান করেছে। দেশের শেয়ার বাজারে এই আইপিও আসার কথা ২০২২ এর ৩১ মার্চ নাগাদ। এতে অর্থভাণ্ডার চাঙ্গা হওয়ার আশা করছে সরকার। ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বিলগ্নিকরণের টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে এতে অনেক দূর এগনো যাবে বলে ধারণা সরকারের।